Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকেরা বলছেন—ঋতুস্রাব চলাকালীন নারীর শরীরে বাড়তি ধকল পড়ে (Menstruation), ফলে বিশেষ যত্ন নেওয়া জরুরি। এই সময়ে পুষ্টিকর ও আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার পাশাপাশি কিছু খাবার ও অভ্যাস এড়িয়ে চলা অত্যন্ত প্রয়োজন। না হলে শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্যে গুরুতর প্রভাব পড়তে পারে।
১. মিষ্টিজাতীয় খাবার থেকে বিরত থাকুন (Menstruation)
- এই সময়ে অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যায়।
- শরীরে প্রদাহ ও পেট ব্যথা বেড়ে যেতে পারে।
- পেশি ও সন্ধিতে ব্যথা আরও বাড়তে পারে।
২. প্রক্রিয়াজাত খাবার নয় (Menstruation)
- চিপ্স, প্যাকেটজাত স্ন্যাকস বা ফাস্ট ফুড হজমে সমস্যা বাড়ায়।
- ঋতুস্রাবের সময়ে হজমের গোলমাল হলে ব্যথা ও অস্বস্তি দ্বিগুণ হয়।
- এসব খাবারে সোডিয়াম ও কৃত্রিম উপাদান থাকে, যা শরীরে জল জমতে সাহায্য করে।
৩. নুন-সমৃদ্ধ খাবার সীমিত করুন (Menstruation)
- অতিরিক্ত নুন রক্তচাপ বাড়ায়।
- রক্তচাপ বেড়ে গেলে রক্তপাতও বেড়ে যেতে পারে।
- শরীরে জল জমে অস্বস্তি, ফুলে যাওয়া, ভারী ভাব তৈরি হয়।
৪. সফট ড্রিঙ্কস ও ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলুন (Menstruation)
- ঠান্ডা পানীয় দূষিত রক্তের স্বাভাবিক নির্গমন বাধাগ্রস্ত করতে পারে।
- এর ফলে শরীরে রক্ত জমে থেকে সংক্রমণ বা দীর্ঘমেয়াদে ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
৫. দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকবেন না
- রক্তক্ষরণের ফলে শরীরে শক্তি ও আয়রনের ঘাটতি হয়।
- খাবার না খেলে মাথা ঘোরা, দুর্বলতা ও মেজাজ খারাপের প্রবণতা বাড়ে।
- দিনে ছোট ছোট বিরতিতে পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন।
৬. দুগ্ধজাত খাবারের মাত্রা কমান
অতিরিক্ত দুধ, দই বা চিজ গ্যাস, অম্বল ও কোষ্ঠকাঠিন্যের ঝুঁকি বাড়ায়।
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দুধজাত খাবার পেটের ক্র্যাম্প বাড়াতে পারে।
৭. ধূমপান থেকে বিরত থাকুন
- গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ধূমপায়ীদের মাসিক যন্ত্রণা বেশি হয়।
- নিকোটিন রক্ত সঞ্চালনে প্রভাব ফেলে ও পেশি সংকোচন বাড়ায়।
৮. অতিরিক্ত ক্যাফিন নয় (Menstruation)
- কফি বা এনার্জি ড্রিঙ্ক শরীরে জলশূন্যতা ঘটায়।
- ডিহাইড্রেশন ব্যথা ও ক্লান্তি বাড়িয়ে তোলে।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: রাজ্যে বাড়ছে রাজনৈতিক খুন, পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী!
ঋতুস্রাবের সময়ে যেসব অভ্যাস এড়ানো জরুরি
১. নোনতা ও চিপ্স জাতীয় খাবার খাওয়া
সোডিয়ামের আধিক্যে শরীরে জল জমে যায়। ভারীভাব, ফুলে যাওয়া ও অস্বস্তি বেড়ে যায়।
২. রাত জাগা
শরীরের বিশ্রাম কম হলে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। অস্বস্তি ও যন্ত্রণা বাড়তে পারে।
৩. সম্পূর্ণভাবে শরীরচর্চা বন্ধ করে দেওয়া
হালকা হাঁটা বা স্ট্রেচিং করলে ব্যথা কমে। শরীরচর্চা পুরো বন্ধ করলে ক্লান্তি ও কষ্ট বাড়তে পারে।


