Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: আপাতত বর্ষার বিদায়ের ব্যাপারে এখনও পুরোপুরি (Winter Update) নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। শুক্রবার বঙ্গোপসাগরে নতুন একটি ঘূর্ণাবর্তের পূর্বাভাস পাওয়া গেছে, যার প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গসহ কলকাতায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টি নিয়ে হলুদ সতর্কতাও জারি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগছে, বর্ষা কবে চলে যাবে আর শীত কবে আসবে?
বর্ষার বিদায়ের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি (Winter Update)
আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, গুজরাটের বেশির ভাগ অংশ থেকেই (Winter Update) বর্ষা বিদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। বাকি কিছু এলাকায় যেমন মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্রেও বর্ষার বিদায়ের জন্য অনুকূল পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এই অঞ্চলগুলো থেকে বর্ষা বিদায় নিলে এর পরের পর্যায়ে বাংলা রাজ্যে বর্ষা বিদায়ের সম্ভাবনা রয়েছে বলে আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন।
বাতাস ততটা শুষ্ক হচ্ছে না (Winter Update)
তবে বর্ষার অবসানের সঙ্গে সঙ্গে শীতের আগমন কতটা দ্রুত (Winter Update) হবে, সেটি নিয়ে এখনও কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে। সাধারণত গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে শীতের আগমন নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে শুরু হয়। যদিও মাঝে মাঝে অক্টোবরের শেষের দিকে সামান্য ঠান্ডার অনুভূতিও পাওয়া যায়। তবে ঠান্ডা অনুভব করার জন্য বাতাসের শুষ্ক হওয়া জরুরি, আর সেটি বর্ষা বিদায়ের পরই সম্ভব। এখনো জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি থাকার কারণে বাতাস ততটা শুষ্ক হচ্ছে না।
ব্যাপক তুষারপাত
অন্যদিকে, অক্টোবরের শুরুতেই উত্তর-পশ্চিম ভারতে ব্যাপক তুষারপাতের দৃশ্য পাওয়া গেছে। কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশের পাশাপাশি উত্তরাখণ্ডের কিছু অংশে তুষারপাত হয়েছে। কেদারনাথ থেকে গুলমার্গ, মানালি পর্যন্ত শীতের বরফে ছেয়ে গিয়েছে পাহাড়গুলো। অনন্তনাগ জেলার পহেলগাঁও ও আরু ভ্যালি থেকেও তুষারপাতের ছবি পাওয়া গিয়েছে। হেমকুন্ড সাহিব গুরুদ্বারও বরফে ঢাকা পড়েছে।

আচমকা পশ্চিমী ঝঞ্ঝার আগমন
হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, এই তুষারপাতের কারণ হল আচমকা পশ্চিমী ঝঞ্ঝার আগমন। সাধারণত অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে এমন ঝঞ্ঝা দেখা যায় না। ফলে এ বছর আবহাওয়ার অনেক পরিবর্তনই আগাম হয়ে যাচ্ছে। তবে মাসের শেষে নতুন করে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার আগমন হবে কিনা, সেদিকে সবাই কড়া নজর রাখছে। এই তুষারপাত ও পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে দিল্লি, পঞ্জাবের অনেক অংশ ইতিমধ্যে শীতল বাতাস পেতে শুরু করেছে। তবে বাংলার শীত কবে আসবে, সেটাই এখনো প্রশ্ন। বর্ষার বিদায় নিশ্চিত হলে বাতাস শুষ্ক হবে এবং শীতের আসার পথ সুগম হবে।
আরও পড়ুন: Indian Railway: হঠাৎ প্ল্যান চেঞ্জ? টিকিট নয় এখন বদলাবে দিন!
সংক্ষেপে বলা যায়, বর্ষা বিদায়ের অগ্রগতি ঘটছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে, কিন্তু এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। বৃষ্টি আর ঝড়ের মাঝে শীত আসার অপেক্ষায় রয়েছে বাংলা ও অন্যান্য প্রদেশের মানুষ। অক্টোবর মাসের শেষ ভাগ কিংবা নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে বাংলায় শীতের চাদর চাপানো শুরু হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে প্রকৃত শীতের আগমন হবে বর্ষার সম্পূর্ণ বিদায়ের পর, যখন বাতাস শুষ্ক ও ঠান্ডা হবে।


