Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: উল্টোডাঙ্গা ফ্লাইওভারের এয়ারপোর্টমুখী লেনে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বুলেট ধাক্কা মারে রেলিংয়ে। বুলেটে থাকা চারজন ছিটকে গিয়ে পড়ে ব্রিজের ওপর (Tragic Bike Crash)। ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। অপর দুই যুবক আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি।
ভোররাতে মারাত্মক গতি (Tragic Bike Crash)
পুলিশ সূত্রে খবর, সোমবার ভোর ৫টা ৪২ মিনিট নাগাদ চারজন যুবক একটি বুলেট বাইকে চড়ে কলকাতা শহরের দিক থেকে এয়ারপোর্টের দিকে যাচ্ছিলেন। প্রত্যেকেই ছিলেন বিনা হেলমেটে এবং বাইকটির গতি ছিল অত্যন্ত বেশি। সেই সময় হঠাৎই বাইকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজের রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কার তীব্রতায় চারজনই বাইক থেকে ছিটকে পড়েন।
আরও পড়ুন: Firing in Berhampore: মুখ্যমন্ত্রী আসার আগেই বহরমপুরে চলল গুলি! তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে রণক্ষেত্র
রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার (Tragic Bike Crash)
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা ছুটে এসে আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। কিন্তু তার আগেই, দুজন যুবকের প্রাণ চলে যায় (Tragic Bike Crash)। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ওই দুই যুবককে মৃত অবস্থায়ই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। বাকি দুজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক, তাদের চিকিৎসা চলছে।

বার্থডে পার্টির পর বাইক রাইড (Tragic Bike Crash)
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে এই চার যুবকই ওই রাতের একটি জন্মদিনের পার্টিতে অংশ নিয়েছিলেন। সেখান থেকে ভোররাতে একসঙ্গে বাইকে করে বেরিয়ে পড়েন তাঁরা। প্রাথমিকভাবে যাদের নাম সামনে এসেছে তারা হলেন — শোয়েব, সোহেল, রহমান ও ফারুক। প্রত্যেকেরই বাড়ি বেনিয়াপুকুর থানা এলাকায়।
হেলমেটহীন যাত্রা (Tragic Bike Crash)
এই ঘটনাটি আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল, হেলমেট ছাড়া বাইক চালানো ও অতিরিক্ত গতির পরিণাম কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে। দুর্ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বাইকটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে চলছিল এবং কোনও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ছাড়াই তারা যাত্রা করছিলেন।
আরও পড়ুন: SSC Recruitment Case: সুপ্রিম কোর্টের রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানাল রাজ্য এবং স্কুল সার্ভিস কমিশন
পুলিশের তদন্ত শুরু (Tragic Bike Crash)
ঘটনার পর উল্টোডাঙ্গা ট্রাফিক গার্ড ও লেকটাউন থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ দুটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুর্ঘটনার সময় বাইকের গতি ও আচরণ বিশ্লেষণ করছে। পাশাপাশি, কার পার্টি থেকে ফিরছিলেন এবং তারা নেশাগ্রস্ত ছিলেন কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

শহরে আবারও ‘রাতের রাইডে’ মৃত্যু (Tragic Bike Crash)
এই ঘটনা ফের মনে করিয়ে দিল শহরের একাংশ যুবকদের ‘নাইট রাইড কালচার’ কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠছে (Tragic Bike Crash)। প্রশাসন ও পুলিশের তরফ থেকে মাঝেমধ্যেই কড়া অভিযান চালানো হলেও, এমন ঘটনা যেন থামছেই না। শহরবাসী প্রশ্ন তুলছেন, ফ্লাইওভারের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কেন নিয়মিত নজরদারি নেই?


