Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বীরভূমের প্রবীণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, প্রাক্তন মন্ত্রী (Abhishek Banerjee) এবং পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার প্রাক্তন ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রবিবার সকালে রামপুরহাটে নিজের দলীয় কার্যালয় সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে পাঁচবার রামপুরহাটের বিধায়ক নির্বাচিত হওয়া এই প্রবীণ নেতার এমন পরিণতিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজনৈতিক মহলে।
সুইসাইড নোটে ক্ষোভের কথা স্পষ্ট (Abhishek Banerjee)
ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া চিঠিতে (Abhishek Banerjee) আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বিরুদ্ধে চলা অপপ্রচার ও অপমান নিয়ে গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গিয়েছে। ছাত্রজীবন থেকে স্বচ্ছ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। এই চিঠির বিষয়বস্তু সামনে আসার পরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, রাজনৈতিক অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের আগেই জনসমক্ষে কাউকে দোষী সাব্যস্ত করে দেওয়ার প্রবণতা কতটা বিপজ্জনক।

অভিষেকের স্পষ্ট কথা (Abhishek Banerjee)
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ এবং সংবাদমাধ্যমের একাংশের ভূমিকা নিয়ে সরব হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক লড়াই বা নির্বাচনী সংঘাত সাময়িক, কিন্তু অপপ্রচার ও চরিত্রহননের অভিঘাতে একটি মানুষের জীবন চলে গেলে সেই ক্ষতি কখনও পূরণ করা যায় না।
আরও পড়ুন: Park Street: এবার পালা পার্ক স্ট্রিটের, সব ফুটপাত দখলমুক্ত করার ঘোষণা পুরমন্ত্রীর
অভিষেকের বক্তব্যে উঠে এসেছে রাজনীতি ও সাংবাদিকতার দায়িত্বশীল সীমারেখার প্রশ্নও। তাঁর মতে, অভিযোগের বিচার হওয়ার আগেই কাউকে সামাজিকভাবে অপরাধী বানিয়ে দেওয়া শুধু ব্যক্তির মর্যাদাকেই আঘাত করে না, তার ভয়াবহ মানবিক পরিণতিও হতে পারে। তাঁর মতে, আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু তাই শোকের পাশাপাশি রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে আত্মসমালোচনার প্রশ্নও সামনে এনে দিয়েছে।


