Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিজেপি সভাপতি নিতিন নবীনের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটিতে সবচেয়ে চর্চিত নাম স্মৃতি ইরানি। তাঁকে দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। ২০২৪ সালের আমেঠি লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর তিনি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে বাদ পড়েছিলেন। তবে রাজনৈতিক অঙ্গনে নিজের মেধা ও কঠোর পরিশ্রমে তৈরি করা অবস্থান ধরে রেখে তিনি ফের শক্ত হাতে সংগঠনে ফিরে এলেন(Smriti Irani Big Return)।
নতুন দায়িত্বের রাজনৈতিক তাৎপর্য (Smriti Irani Big Return)
উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন: সামনেই উত্তরপ্রদেশের গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। বিজেপির লক্ষ্য রাজ্যে ধারাবাহিক জয় বজায় রাখা। সেই কৌশলগত অঙ্কেই আগ্রাসী বক্তা ও পরিচিত মুখ স্মৃতি ইরানিকে মূল দায়িত্বে আনা হয়েছে।
নারী ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ: মহিলা ভোটারদের কাছে স্মৃতি অত্যন্ত জনপ্রিয়। তাঁর এই ভূমিকা মহিলা ভোটব্যাঙ্ককে বিজেপির পক্ষে সুসংগঠিত করতে সাহায্য করবে।
বিরোধী শিবিরে তীব্র চ্যালেঞ্জ: কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবকে রাজপথের পাশাপাশি রাজনৈতিক বক্তব্যে কড়া টেক্কা দিতে স্মৃতির জুড়ি মেলা ভার।
রাজনৈতিক পথচলা ও অভিজ্ঞতা (Smriti Irani Big Return)
টেলিভিশন ধারাবাহিক ‘কিউঁকি সাস ভি কভি বহু থি’-র ‘তুলসী বিরানি’ হিসেবে প্রতি ঘরে পরিচিতি পাওয়ার পর ২০০৩ সালে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। পরবর্তীতে ২০১০ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত বিজেপি মহিলা মোর্চার জাতীয় সভাপতি এবং একাধিক মন্ত্রকের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব সামলেছেন।
২০১৪ সালে আমেঠিতে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে প্রথমবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হলেও এলাকা ছাড়েননি। পাঁচ বছর ধরে তৃণমূল স্তরে সংগঠন মজবুত করার ফল মেলে ২০১৯ সালে। তিনি রাহুল গান্ধীকে পরাজিত করে “জায়েন্ট কিলার” হিসেবে উঠে আসেন।
আরও পড়ুন: Voter ID: ভারতের ভোটার আইডি পছন্দ ট্রাম্পের: মার্কিন নির্বাচনে কড়া আইনের দাবি
যদিও ২০২৪ সালের নির্বাচনে তিনি কংগ্রেসের কিশোরী লাল শর্মার কাছে পরাজিত হন, তবুও উত্তরপ্রদেশের মাটি ও রাজনীতিতে তাঁর প্রভাব এখনও অনস্বীকার্য(Smriti Irani Big Return)। নতুন এই সাংগঠনিক দায়িত্বের মাধ্যমে তিনি আবারও ভারতীয় রাজনীতির মূলস্রোতে নিজের প্রভাব বিস্তার করতে প্রস্তুত।



