Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অযোধ্যার রামমন্দিরে চন্দা চুরি বা দান চুরির চাঞ্চল্যকর অভিযোগে বড়সড় স্বস্তি পেলেন শ্রী রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই এবং ট্রাস্টের প্রাক্তন সদস্য অনিল মিশ্র। বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) তাদের চূড়ান্ত রিপোর্টে চম্পত রাই ও অনিল মিশ্র উভয়কেই সমস্ত অভিযোগ থেকে মুক্ত বা ‘ক্লিনচিট’ দিয়েছে(Ram Temple Theft)। উত্তর প্রদেশ স্বরাষ্ট্র দফতর এই রিপোর্টটি পরবর্তী পদক্ষেপে গ্রহণের জন্য ট্রাস্টের হাতে তুলে দিয়েছে।
তদন্তের মূল বিষয় ও ঘটনাপ্রবাহ (Ram Temple Theft)
পদত্যাগ ও জিজ্ঞাসাবাদ: চুরির অভিযোগ ওঠার পর ২৭ জুন চম্পত রাই এবং অনিল মিশ্র নিজেদের পদ থেকে ইস্তফা দেন। পরবর্তীতে দান ব্যবস্থাপনা এবং সংগ্রহ প্রক্রিয়ার বিষয়ে এসআইটি তাঁদের দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ চালায়।
রায়-এর বক্তব্য: জিজ্ঞাসাবাদের সময় চম্পত রাই নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করেন। তিনি জানান, অনিয়মের আঁচ পাওয়া মাত্রই তিনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন এবং তাঁর দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতেই আসল সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়(Ram Temple Theft)।
তদন্ত কমিটির গঠন: সুপ্রিম কোর্টের মধ্যস্থতার আগেই ট্রাস্টের আবেদনে গত ১৩ জুন লখনউয়ের ডিভিশনাল কমিশনার বিজয় বিশ্বাস পন্থের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এসআইটি গঠন করে রাজ্য সরকার।
প্রথম এফআইআর ও গ্রেফতারি (Ram Temple Theft)
২৩ জুন এসআইটি তাদের প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার পর, ২৫ জুন শ্রী রামজন্মভূমি থানায় ট্রাস্ট সদস্য কৃষ্ণমোহনের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে মূল এফআইআর দায়ের করা হয়। অভিযোগে অবিনাশ শুক্লা, অনুকল্প মিশ্র, লাভকুশ মিশ্র, মনীশ কুমার যাদব, করুণেশ পান্ডে, রমাশঙ্কর মিশ্র, সুভাষ শ্রীবাস্তব এবং রাম শঙ্কর যাদব ওরফে টিন্নুসহ আরও কয়েকজনের নাম উঠে আসে। পুলিশ অভিযুক্তদের ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের সংশিষ্ট ধারায় গ্রেফতার করেছে। চূড়ান্ত রিপোর্টে ট্রাস্টের প্রাক্তন শীর্ষকর্তাদের ক্লিনচিট মেলায় এই বহুল চর্চিত মামলায় এক বড়সড় মোড় এল।



