Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সমকালীন সমাজের মানসিক অস্থিরতা, হতাশা (Political Satire) এবং আবেগের সংকটকে ব্যঙ্গ, হাস্যরস ও অস্বস্তির মিশেলে মঞ্চে তুলে ধরছে রাজনৈতিক ব্যঙ্গনাট্য ‘তারাময়ী অ্যাঙ্গার ম্যানেজমেন্ট স্কুল’। নাটকটি শুধু ক্রোধ নিয়ন্ত্রণের গল্প নয়, বরং আধুনিক মানুষের জীবনযাপন, সামাজিক চাপ এবং চারপাশের অনিশ্চয়তার এক তীক্ষ্ণ প্রতিচ্ছবি।
অ্যাঙ্গার ম্যানেজমেন্ট সেন্টারেই শুরু গল্প (Political Satire)
গল্পের শুরু এক অদ্ভুত অ্যাঙ্গার ম্যানেজমেন্ট (Political Satire) প্রতিষ্ঠানে। নিজেদের মানসিক টানাপোড়েন এবং আবেগজনিত সমস্যার সমাধানের আশায় সেখানে হাজির হন তিনজন মানুষ। রিসেপশনিস্ট এবং পরে কাউন্সেলরের সঙ্গে তাঁদের কথোপকথনের মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে প্রকাশ পায় ব্যক্তিগত হতাশা, অবদমিত আবেগ এবং জীবনের নানা অপ্রকাশিত সত্য।
ব্যক্তিগত সংকট থেকে বৃহত্তর সমাজ (Political Satire)
প্রথমে সাধারণ কাউন্সেলিং সেশন মনে হলেও গল্প (Political Satire) এগোতে থাকলে তা পরিণত হয় মানুষের অস্তিত্ব এবং সমাজব্যবস্থার গভীর অনুসন্ধানে। পরিচয়, সামাজিক conditioning, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা, অর্থনৈতিক চাপ এবং টিকে থাকার লড়াই-সবই উঠে আসে তীক্ষ্ণ সংলাপ ও অন্ধকার হাস্যরসের মাধ্যমে। নাটকটি খুঁজে দেখে আধুনিক মানুষের ক্রোধের মনস্তাত্ত্বিক ও সামাজিক শিকড়।
হাসির আড়ালে নির্মম বাস্তবতা
নাটকের শুরুতে হাস্যরস ও অতিরঞ্জনের আবরণ থাকলেও ধীরে ধীরে উন্মোচিত হয় এক কঠিন বাস্তবতা। ব্যক্তিগত সমস্যাগুলি শেষ পর্যন্ত বৃহত্তর সমাজের সম্মিলিত হতাশার প্রতিচ্ছবি হয়ে ওঠে। কোনও সরাসরি উপদেশ না দিয়ে নাটকটি দর্শকের সামনে তুলে ধরে একটি আয়না-যেখানে ধরা পড়ে বিশৃঙ্খলা, সংঘাত, অর্থনৈতিক চাপ এবং মানসিক ক্লান্তিতে জর্জরিত সময়।
মঞ্চে একঝাঁক শিল্পী
নাটকটির গল্প, চিত্রনাট্য, ভাবনা ও নির্দেশনায় রয়েছেন অনিন্দ্য ব্যানার্জী। অভিনয়ে রয়েছেন অনিন্দ্য ব্যানার্জী, সাগ্নিক, সৌরভ চক্রবর্তী, শম্পা ব্যানার্জী, অনুরাধা বসু, সুদেষ্ণা পাল এবং দেবজ্যোতি পাল। সহকারী নির্দেশনায় পম্পা ব্যানার্জী। প্রযোজক টি. কে. সিং। আলোক পরিকল্পনায় বাবলু সরকার, শব্দ পরিকল্পনায় সৌমেন দত্ত এবং মঞ্চসজ্জায় অনিন্দ্য ব্যানার্জী।


