Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চিন সীমান্তসংলগ্ন নেপালে সাম্প্রতিক ভয়াবহ হড়পা বানে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এই বিপর্যয়ে অন্তত ৪৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং নিখোঁজ রয়েছেন দেড় হাজারের বেশি মানুষ। এর মধ্যে অনেক বিদেশি নাগরিকও রয়েছেন(Nepal Flood Help)।
উদ্ধারকারী দল পাঠানোর প্রস্তাব খারিজ (Nepal Flood Help)
পরিস্থিতি সামাল দিতে ভারত, চিন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশ উদ্ধারকারী দল পাঠানোর প্রস্তাব দিলেও তা ফিরিয়ে দিয়েছে নেপাল সরকার। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের নিজস্ব সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনী পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ সক্ষম। ২০১৫ সালের গোর্খা ভূমিকম্পের সময় বিদেশি উদ্ধারকারী দলের অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে সমন্বয়ের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল এই অভিজ্ঞতা থেকেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত রাসুয়া জেলাটি চিন সীমান্তবর্তী হওয়ায় এর পেছনে ভূরাজনৈতিক কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে নেপাল সরকার এই গুঞ্জন সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। তারা স্পষ্ট জানিয়েছে, বিদেশি দল না নেওয়ার সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি অভ্যন্তরীণ সক্ষমতার মূল্যায়নের ওপর ভিত্তি করে নেওয়া।
উদ্ধারকারী দল গ্রহণ না করলেও বিভিন্ন দেশের আর্থিক সহায়তা এবং ত্রাণসামগ্রী সানন্দে গ্রহণ করছে নেপাল। ইতোমধ্যে ভারত প্রায় সাড়ে সাতচল্লিশ মেট্রিক টন জরুরি ত্রাণ পাঠিয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং বিশ্বব্যাংকও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। নিখোঁজ বিদেশি নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ ও সহায়তার জন্য নেপালের বিদেশ মন্ত্রক একটি জরুরি রেসপন্স টিম গঠন করেছে(Nepal Flood Help)।
এদিকে নতুন করে আরেকটি বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। রাসুভাগড়ি সীমান্ত পারাপারের কাছে বরফ ও পাথরের স্তূপে লেন্দে নদীর প্রবাহ আটকে একটি কৃত্রিম হ্রদ তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুন: Flood Threat Nepal: তিব্বতে বাঁধ ভেঙে ভাসল ভোটেকোশী: নেপালে তীব্র আতঙ্ক
চিনের জলসম্পদ মন্ত্রক জানিয়েছে, ইতিমধ্যে এই হ্রদে প্রায় ২০ লাখ ঘনমিটার জল জমে উপচে পড়তে শুরু করেছে এবং আগামী তিন দিনে আরও ৩০ লাখ ঘনমিটার জল জমা হতে পারে। এতে নতুন করে প্লাবনের ঝুঁকি তৈরি হওয়ায় স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে(Nepal Flood Help)। পুনর্বাসন ও পুনরুদ্ধারে এখন আন্তর্জাতিক অর্থ সহায়তার ওপর জোর দিচ্ছে কাঠমান্ডু।



