Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বাঙালির কাছে দুর্গাপুজো মানে জমিয়ে খাওয়া (Durgapuja Food Controversy) দাওয়া, প্যান্ডেল হপিং আর পাঁচ দিনে পাঁচ রকম সাজগোজ। কিন্তু তাতে যদি নিষেধাজ্ঞা জারি করে কেউ! ভোজনরসিক বাঙালির খাবার নিয়ে নিষেধাজ্ঞা? তা তো একেবারেই মানা যায় না। কিন্তু হঠাৎ এমন কথা উঠছে কেন?
বিতর্কের ঝড় (Durgapuja Food Controversy)
বিশ্ব হিন্দু পরিষদ বা VHP বার্তা দিয়েছে এই বারের (Durgapuja Food Controversy) দুর্গাপুজোকে কেন্দ্র করে। তাদের মত, পুজো মণ্ডপের মূল পরিসর ও প্রতিমার আশপাশে আমিষ খাবার খাওয়া ও বিক্রি করা যাবে না। কেন এই সিদ্ধান্ত? পুজো মণ্ডপের পরিসর যাতে পবিত্র থাকে তাই এই সিদ্ধান্ত। তাদের বার্তা, মণ্ডপের আশেপাশে আমিষ খাবার বিক্রি করা যাবে না। এই বার্তা প্রকাশ্যে আসার পরই শুরু হয়েছে বিতর্কের ঝড়।
কী জানানো হয়েছে? (Durgapuja Food Controversy)
কলকাতার ইস্টার্ন জোনাল কালচারাল সেন্টারে (EZCC) পুজো উদ্যোক্তা ও পুরোহিতদের (Durgapuja Food Controversy) সঙ্গে আয়োজিত এক বৈঠকে এই সুপারিশ পেশ করা হয়। ভিএইচপি-র কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য নির্গুণানন্দ পরিষ্কার জানিয়েছেন যে, তাঁরা সম্পূর্ণ বাংলায় আমিষ খাওয়া বন্ধের দাবি করছেন না।
থিম নিয়েও কড়া বার্তা
এই বৈঠকে পুজোর থিম নিয়েও করে বার্তা দেওয়া হয়েছে। থিম পুজোর নামে মায়ের মূর্তি বিকৃত করা যাবে না। বজায় রাখতে হবে সনাতনী হিন্দু সংস্কৃতি। এর আগেও বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষের মুখে একই কথা শোনা গিয়েছিল।

আরও পড়ুন: Nepal Flood: নেপাল বন্যায় এখনও নিখোঁজ ৩২০ ভারতীয়, চিনে নিরাপদ প্রায় ৪০০
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়াছড়ি
এই খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই নেটিজেনদের মত, পুজোয় কে কী খাবে সেটা অন্য কেউ ঠিক করবে না। নবমীতে খাসির মাংস ছাড়া বাঙালির পুজো কমপ্লিট হয়না, সেখানে আমিষ খাবার নিয়ে কড়াকড়ি মানতে নারাজ ভোজনরসিক বাঙালির একাংশ।


