Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার সঙ্গে বিশ্বের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তেল চুক্তি সম্পন্ন করেছে(Venezuela Us Deal)। এই চুক্তির মাধ্যমে আমেরিকা দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটির প্রায় ৬৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেল সম্পদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিচ্ছে।
কী বলছেন ট্রাম্প? (Venezuela Us Deal)
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প জানান, মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী পিট হেগসেথ এবং ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট ডেলসি রডরিগেজের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে এই চুক্তিটি চূড়ান্ত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে ভেনেজুয়েলা সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
আমেরিকান সামরিক অভিযানের মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতার করার কয়েক মাস পর এই সমঝোতার খবর সামনে এল। বর্তমানে মাদুরো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নার্কো-টেররিজম এবং মাদক পাচারের অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হচ্ছেন।
চুক্তির পিছনে মূল কারণ
জ্বালানি সংকট: ইরানে যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। তা নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্প প্রশাসনের ওপর ব্যাপক রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছিল।
রিজার্ভে ঘাটতি: আমেরিকার স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভে তেলের পরিমাণ ৩০ কোটি ব্যারেলে নেমে এসেছে, যা ২০২৬ সালের শুরুর তুলনায় প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল কম।
সরবরাহে বাধা: চলমান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে খনিজ তেল পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। বিশ্বজুড়ে মোট পেট্রোলিয়ামের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়েই সরবরাহ করা হত।
ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ (Venezuela Us Deal)
ইউএস এনার্জি ইনফরমেশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের তথ্য অনুযায়ী, ভেনিজুয়েলায় আনুমানিক ৩০,৩০০ কোটি ব্যারেল অপরিশোধিত তেল রয়েছে, যা বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ১৭ শতাংশ। দেশটির মাটির নিচে থাকা এই বিশাল তেল সম্পদ ইতোমধ্যে চিহ্নিত এবং জরিপ করা।
আরও পড়ুন: Indian Railways: ট্রেন বা স্টেশনে থুতু ফেললেই দ্বিগুণ জরিমানা! ১০০০ নয় এবার গুনতে হবে দু-হাজার টাকা
ট্রাম্প জানিয়েছেন, এটি একটি বেসরকারি অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগ হতে চলেছে(Venezuela Us Deal)। ট্রাম্প প্রশাসন ভেনিজুয়েলায় রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার দাবি করলেও, মার্কিন তেল সংস্থাগুলোর নির্বাহীরা সেখানে বিনিয়োগের ঝুঁকি নিয়ে এখনও কিছুটা সতর্ক অবস্থান বজায় রাখছেন।



