Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সুকৃতি ভট্টাচার্য: ভোররাতে কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে ঢুকে ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে (Abhishek Banerjee)। সকালেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে গোটা ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আনেন অভিষেক। তাঁর পোস্টের সঙ্গে একটি ভিডিও-ও ছিল, যেখানে অফিসের ভিতরের পরিস্থিতির কিছু দৃশ্য দেখা যায় বলে দাবি করা হয়েছে।

অস্ত্র হাতে হামলার অভিযোগ (Abhishek Banerjee)
অভিষেকের অভিযোগ, ভোর সাড়ে ৪টে নাগাদ অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত বিজেপির লোকজন জোর করে তাঁর দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে। অফিসে থাকা কর্মীদের মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং আসবাবপত্রে ভাঙচুর চালানো হয় বলেও অভিযোগ তাঁর। ঘটনায় অফিসের কর্মীদের মধ্যেও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
তবে এই অভিযোগের বিষয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে কী বক্তব্য রয়েছে, তা-ও তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। রাজনৈতিকভাবে উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হামলাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট করা এখন পুলিশের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।
পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন Abhishek Banerjee)
ঘটনার পর ক্যামাক স্ট্রিটে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছয়। শেক্সপিয়র সরণি থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ছয়জনকে আটক করেছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলার নেপথ্যে কারা রয়েছে, কী কারণে এই ঘটনা ঘটল এবং পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছিল কি না, তা জানার চেষ্টা চলছে।
অভিষেকের অভিযোগ, ঘটনার সময় বারবার ফোন এবং ই-মেলের মাধ্যমে পুলিশকে জানানো হলেও প্রায় দু’ঘণ্টা কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। কেন অভিযোগ পাওয়ার পরও দ্রুত পুলিশি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, সেই প্রশ্ন তুলে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও সরব হয়েছেন তিনি।
তদন্তেই কি বেরোবে আসল সত্য? Abhishek Banerjee)
গোটা ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অফিসের কর্মীরাও একই অভিযোগ করেছেন। ফলে এখন তদন্তের মূল লক্ষ্য হামলাকারীদের শনাক্ত করা, সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা এবং ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
ক্যামাক স্ট্রিটের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় রাজনৈতিক নেতার অফিসে ভোররাতে এমন হামলার অভিযোগ স্বাভাবিকভাবেই নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর তৈরি করেছে। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে এই ঘটনার নেপথ্যের প্রকৃত তথ্য কতটা সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।



