Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: নেপালের ত্রিশূলি ও ভোটে কোশি নদীর অববাহিকায় ভয়াবহ ধস ও হড়পা বানের কারণে শয়ে শয়ে জলবিদ্যুৎ শ্রমিক মাটির নিচের সুড়ঙ্গে আটকে পড়েছেন(Nepal Rescue)। দুর্যোগে হাজার হাজার মানুষের প্রাণহানি ও নিখোঁজের খবরের মধ্যে এই উদ্ধার অভিযান এক অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।

যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন দুর্গম এলাকা (Nepal Rescue)
ভূমিধস ও বন্যায় পাহাড়ের সংযোগকারী সড়ক ও সেতুগুলো ভেসে গেছে। সরু ও খাড়া উপত্যকায়ভারী যন্ত্রপাতি (যেমন এক্সকাভেটর ও ড্রিলিং মেশিন) পৌঁছানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
কাদামাটি ও ধ্বংসাবশেষে বন্ধ প্রবেশপথ
কাদামাটি, পাথর ও বরফের স্তূপে সুড়ঙ্গের প্রধান মুখগুলো পুরোপুরি সিল হয়ে গেছে। আপার ত্রিশূলি-৩এ প্রকল্পের মতো জায়গায় নেপাল সেনাবাহিনী ড্রিল করে ছোট ছিদ্র তৈরি করে ক্যামেরা ও বাতাস পাঠানোর চেষ্টা করছে।
অক্সিজেনের ঘাটতি ও দৃশ্যমানতার অভাব
দীর্ঘ ও আঁকাবাঁকা ভূগর্ভস্থ সুড়ঙ্গে কোথায় শ্রমিকেরা আটকে আছেন তা বাইরে থেকে বোঝা অসম্ভব। প্রধান ভেন্টিলেশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভেতরে অক্সিজেনের তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে।
অভিযানের প্রধান চ্যালেঞ্জ
দীর্ঘ সুড়ঙ্গে শ্রমিকদের সঠিক অবস্থান নির্ণয়
অক্সিজেন পৌঁছানো ও মাটির নিচের বিষাক্ত গ্যাস
ধসের ঝুঁকিতে দ্রুত ধ্বংসাবশেষ সরানোর সীমাবদ্ধতা
পুনরায় ধসের আতঙ্ক (Nepal Rescue)
পানি ও কাদার চাপে সুড়ঙ্গের ভেতরের অবকাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে। দ্রুত বা অনিয়ন্ত্রিতভাবে কাদা সরাতে গেলে পুরো সুড়ঙ্গ ধসে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।
ক্রমাগত বৃষ্টিপাত ও হিমবাহ থেকে আসা জলে নদীর জলস্তর হু হু করে বাড়ছে। এর ফলে উদ্ধারকাজ বারবার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং উদ্ধারকারীদের জীবনও ঝুঁকিতে পড়ছে।
আরও পড়ুন: Nepal Flash Flood: তিব্বত-নেপাল বন্যা: হিমবাহ নয়, পাহাড় ধসই ডেকে এনেছিল বিপর্যয়
ভারত, চীন ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিশেষজ্ঞ দল এবং নেপালি সামরিক বাহিনীর হাজার হাজার সদস্য এখন যৌথভাবে এই কঠিন উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন(Nepal Rescue)। সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে ড্রিলিং ও পাম্পিং চালিয়ে আটকে পড়া মানুষগুলোকে জীবিত ফিরিয়ে আনাই এখন এই অভিযানের মূল লক্ষ্য।



