Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রামায়ণের অন্যতম চর্চিত ও রহস্যময় অধ্যায় হল রামসেতু (Raam Setu)। প্রচলিত কাহিনি অনুযায়ী, রাবণের হাতে অপহৃত সীতাকে উদ্ধারের জন্য রাম, লক্ষ্মণ এবং বানরসেনাকে সমুদ্র পেরিয়ে লঙ্কায় পৌঁছতে হয়েছিল। সেই সময় নল ও নীলের নেতৃত্বে সমুদ্রের উপর তৈরি হয় বিশাল সেতু। বাল্মীকি রামায়ণে উল্লেখ রয়েছে, পাথর ব্যবহার করে এই সেতু নির্মাণ করা হয়েছিল। কথিত আছে, মাত্র পাঁচ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছিল সেই নির্মাণকাজ।
কিভাবে তৈরী রামসেতু? (Raam Setu)
রামসেতুর (Raam Setu) দৈর্ঘ্য ও নির্মাণ নিয়ে নানা মত রয়েছে। বাল্মীকি রামায়ণ অনুসারে, এর দৈর্ঘ্য ছিল ১০০ যোজন এবং প্রস্থ ১০ যোজন। পরবর্তীকালে এই সেতুই ‘রামসেতু’ নামে পরিচিত হয়। বর্তমান সময়ে ভারতের ধনুষকোড়ি থেকে শ্রীলঙ্কার মান্নার দ্বীপ পর্যন্ত সমুদ্রের নিচে যে স্থলভাগের অস্তিত্ব দেখা যায়, সেটিকেই অনেকে রামসেতুর সঙ্গে যুক্ত করেন।
পাথর নিয়ে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা (Raam Setu)
রামসেতুর পাথর নিয়ে বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাও রয়েছে। কিছু গবেষকের মতে, আগ্নেয়গিরি থেকে তৈরি পিউমিক পাথর জলে ভাসতে পারে। সেই ধরনের পাথর ব্যবহারের সম্ভাবনার কথাও বলা হয়েছে। তবে রামসেতুর প্রকৃত নির্মাণ ইতিহাস নিয়ে এখনও বিতর্ক রয়েছে।
কিভাবে জলের নিচে রাম সেতু?
সেতুটি কীভাবে সমুদ্রের নিচে চলে গেল, তা নিয়েও রয়েছে নানা মত। একটি ধারণা অনুযায়ী, সমুদ্রপৃষ্ঠের পরিবর্তনের ফলে সেতুর বড় অংশ জলের নিচে চলে যায়। আবার প্রচলিত কাহিনিতে বলা হয়, রাবণবধের পর বিভীষণের অনুরোধে রাম নিজেই সেতুটিকে সমুদ্রের গভীরে নিমজ্জিত করেছিলেন, যাতে ভবিষ্যতে এই পথ ব্যবহার করে লঙ্কায় আক্রমণ করা না যায়।


