Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল (সুকৃতি ভট্টাচার্য): যে মাটির সুর ও সাধনায় তিনি বাংলাকে পৌঁছে দিয়েছেন বিশ্বমঞ্চে, ৯৩ বছর বয়সে সেই বীরভূমের মাটিতেই জমি হারানোর যন্ত্রণা। তিনি পদ্মশ্রী সম্মানপ্রাপ্ত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বাউল শিল্পী পূর্ণদাস বাউল (Purna Das Baul)। বীরভূমে জমি দখল থেকে শুরু করে কলকাতায় পৈতৃক বাড়ি ভাঙচুর, দুটি গুরুতর অভিযোগ তুলে এবার বিচার চাইতে পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবারে’ হাজির বর্ষীয়ান শিল্পী।
এক নজরে পূর্ণদাস বাউলের জোড়া অভিযোগ (Purna Das Baul)
বার্ধক্যজনিত কারণে পূর্ণদাস বাউল কথা বলতে না পারায়, তাঁর হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন পুত্র দিব্যেন্দু দাস এবং পুত্রবধূ অদিতি দাস। তাঁদের অভিযোগে বীরভূমে বেআইনি জবরদখল। ইলামবাজারে পূর্ণদাস বাউলের নিজস্ব জমি বেআইনিভাবে দখল করে সেখানে বহুতল আবাসনসহ নানা বেআইনি নির্মাণ গড়ে উঠেছে। পরিবারের দাবি, এই ঘটনার পেছনে উঠে আসছে তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) নাম। জমি দখলের ছবি ও তথ্য বারংবার তাঁর কাছে নিয়ে যাওয়া হলেও কোনো সুরাহা মেলেনি।
আরও পড়ুন:Kunal Ghosh: গানে গানে বিরিয়ানি চাইলেন কুণাল, করলেন বাগেশ্বরের আমিষ বাণীর তীব্র কটাক্ষ!
ঢাকুরিয়ায় পৈতৃক বাড়ি (Purna Das Baul) ভাঙচুরেরও অভিযোগ তোলেন তিনি। বীরভূমে জমি দখলের পর পরিবারটি কলকাতায় চলে আসে। কিন্তু অভিযোগ, কলকাতার ঢাকুরিয়াতেও তাঁদের থাকার পৈতৃক বাড়িটি বেআইনি ও অমানবিক উপায়ে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে সুরাহার আশা
আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের নাম উজ্জ্বল করা বাউল সম্রাটের শেষ বয়সে এমন করুণ পরিণতি দেখে আলোড়ন তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মহলে। যে বীরভূমের মাটি তাঁকে পরিচয় দিয়েছে, সেই মাটিতেই কেন এমন হেনস্থা?
মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের মাধ্যমে এই জমি ও বাড়ি দখলের বেআইনি সিন্ডিকেটের হাত থেকে শেষ পর্যন্ত কি মুক্তি পাবেন ৯৩ বছরের এই বাউল সাধক (Purna Das Baul)? মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের দিকেই এখন চোখ সারা বাংলার।


