Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ব্রিটেনের আকাশপথে হঠাৎ দেখা দেওয়া ভয়াবহ যান্ত্রিক বিপর্যয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হলেন লাখো বিমানযাত্রী (1300 Flights Cancelled)। দেশটির এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল বা এটিসি ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দেওয়ার পর নিরাপত্তার স্বার্থে বিমান চলাচল ব্যাপকভাবে সীমিত করতে হয়। এর জেরে দেশজুড়ে প্রায় ১,৩০০টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং বহু উড়ানের সময়সূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
হিথ্রো থেকে ম্যানচেস্টার (1300 Flights Cancelled)
পরিস্থিতির সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ে ব্রিটেনের ব্যস্ত বিমানবন্দরগুলিতে। লন্ডনের হিথ্রো, গ্যাটউইক ও স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দরের পাশাপাশি ম্যানচেস্টার, বার্মিংহাম এবং স্কটল্যান্ডের একাধিক বিমানবন্দরেও তৈরি হয় দীর্ঘ অপেক্ষার পরিস্থিতি। কোথাও টার্মিনালে যাত্রীদের ভিড়, কোথাও আবার বিমানের ভিতরেই দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে তাঁদের।
ন্যাটসের সিস্টেমে ত্রুটি (1300 Flights Cancelled)
ব্রিটেনের ন্যাশনাল এয়ার ট্রাফিক সার্ভিসেস বা ন্যাটস জানিয়েছে, তাদের ফ্লাইট প্রসেসিং সিস্টেমে আচমকা যান্ত্রিক বিভ্রাট দেখা দেয়। স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা স্বাভাবিকভাবে কাজ না করায় বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত সতর্কতা নিতে হয়। ফলে আকাশপথে একসঙ্গে চলাচলকারী বিমানের সংখ্যা কমিয়ে দেওয়া হয় এবং পরিষেবা মারাত্মকভাবে ধীর হয়ে পড়ে।

ধাক্কা বহু সংস্থায় (1300 Flights Cancelled)
এই বিপর্যয়ের প্রভাব পড়ে একাধিক বড় বিমান সংস্থার পরিষেবায়। ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ, ইজিজেট ও রায়ানএয়ারের বহু উড়ান বাতিল, বিলম্বিত কিংবা অন্যত্র ঘুরিয়ে দিতে হয়েছে। বিমান ও ক্রু নির্ধারিত জায়গায় পৌঁছাতে না পারায় একটি ফ্লাইটের বিলম্বের প্রভাব পরবর্তী একাধিক উড়ানেও ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন: Shatarup Ghosh: কানের গোড়ায় ‘থাবড়া’ মারবে দুর্গার এক্সট্রা হাত! বিজেপিকে খোঁচা শতরূপের
সমস্যা মিটলেও কাটেনি দুর্ভোগ
প্রকৌশলীরা কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় মূল প্রযুক্তিগত ত্রুটি মেরামত করতে সক্ষম হয়েছেন বলে ন্যাটস জানিয়েছে। পরিষেবা ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হলেও বাতিল ও বিলম্বিত উড়ানের জট পুরোপুরি কাটতে সময় লাগতে পারে। তাই যাত্রীদের বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে নিজেদের ফ্লাইটের সর্বশেষ পরিস্থিতি যাচাই করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।



