Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল (সুকৃতি ভট্টাচার্য): আনন্দপুরের সেই ভয়াবহ আগুনের (Anandapur Fire) লেপ শিখা কেড়ে নিয়েছিল ডেকোরেটার্স কর্মী কৃষ্ণেন্দু ধারার প্রাণ। মর্মান্তিক সেই জতুগৃহ কাণ্ডের পর ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টেছে, রাজনীতিতে জল গড়িয়েছে, কিন্তু যে আঁধার নেমে এসেছিল সুমিত্রা ধারার সংসারে, তা এতটুকুও কমেনি। কোনও সরকারি ক্ষতিপূরণ তো মেলেইনি, উল্টে আজ পেটের তাগিদে ও কোলের সন্তানের দিকে চেয়ে চরম অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে এই অসহায় পরিবার।
শূন্য ক্ষতিপূরণ! (Anandapur Fire)
কৃষ্ণেন্দুই ছিলেন সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তাঁর মৃত্যুর পর থেকে বৃদ্ধ শাশুড়ি ও ছোট্ট সন্তানকে নিয়ে কার্যত অনাহারে দিন কাটছে সুমিত্রার। প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় এতদিন দিন চললেও, দিন শেষে বেঁচে থাকার লড়াইটা হয়ে উঠেছে ভীষণ কঠিন। যে দুর্ঘটনায় (Anandapur Fire) গৃহকর্তার প্রাণ গেল, তার দায় কার? কেন মিলল না সামান্য সাহায্যও? প্রশ্ন পরিবারের।
কোনও অনুদান বা খয়রাতি নয়, নিজের যোগ্যতামতো শুধু একটি কাজের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জনতার দরবারে’ হাজির হয়েছেন সুমিত্রা ধারা। তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য, ‘স্বামীর প্রাণ তো আর ফিরে পাব না, কিন্তু কোলজুড়ে যে ছোট সন্তান রয়েছে, তার ভবিষ্যৎ কী? বেঁচে থাকার জন্য আমাকে একটা কাজের ব্যবস্থা করে দিন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।’
মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে কি মিলবে বিচার?
আনন্দপুরের সেই অভিশপ্ত রাতের (Anandapur Fire) কথা রাজ্যবাসী ভুললেও, সুমিত্রার চোখের জল মোছেনি। সরকারের কাছে তাঁর আর্জিতে কি সাড়া দেবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী? নবান্নের প্রশাসনিক হাত কি বাড়িয়ে দেওয়া হবে নিঃস্ব পরিবারের দিকে? আজ সেই উত্তরের পথেই তাকিয়ে গোটা রাজ্য।


