Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: তানিয়া রক্ষিত: আইএসএলের ৮ জন প্লেয়ারকে (Mohun Bagan CFL Champion) দলে রেখেও ম্যাচে প্রত্যাশিত আক্রমণের ঝাঁজ তুলে ধরতে পারেনি মোহনবাগান (Mohun Bagan CFL Champion)। তবে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর মিনি ডার্বিতে জয় ছিনিয়ে নিয়ে দীর্ঘ ৮ বছর পর কলকাতা ফুটবল লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করল গঙ্গাপাড়ের ক্লাবটি। অন্য ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল ৫-০ গোলে জয় পেলেও, মোহনবাগানের এই জয়ে তাদের খেতাব জয়ের স্বপ্ন বিফলে যায়।
প্রথমার্ধের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই (Mohun Bagan CFL Champion)
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণের খেলা চলতে থাকে। প্রথমার্ধের ২৬ মিনিটে লালয়ানজুয়ালা ছাংতে’র চমৎকার ক্রস থেকে নিখুঁত হেডে গোল করে মোহনবাগানকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন সাহাল আবদুল সামাদ। তবে প্রথমার্ধের বিরতির আগেই ম্যাচে সমতা ফেরায় মহমেডান। ৪২ মিনিটের মাথায় লালথানকিমার একটি ডিফেন্সচেরা পাস পেয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে দেন রেমসাঙ্গা। সাদা-কালো জার্সি গায়ে পুরো ম্যাচেই তিনি উজ্জ্বল ছিলেন। ফলে ১-১ ব্যবধানে শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা।

১০ জনের মোহনবাগান (Mohun Bagan CFL Champion)
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের গতিপথ নাটকীয় রূপ নেয়। ৫৯ মিনিটের মাথায় মহমেডানের রেমসাঙ্গাকে বক্সের মধ্যে জড়িয়ে ধরে ফেলে দেওয়ায় লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় মোহনবাগান গোলকিপার দ্বিপ্রভাতকে। এই ভুলের খেসারত হিসেবে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করে মহমেডানকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মহিতোষ। ১০ জনের দলে পরিণত হয়ে পিছিয়ে পড়ায় মোহনবাগানের ওপর চাপ অনেকটাই বেড়ে যায়।

আরও পড়ুন: BJP MLA Manab Guha: তোলাবাজির শাস্তি ‘ল্যাম্পপোস্টে বেঁধে মার’, বিজেপি বিধায়কের নয়া নিদান!
সাহালও সায়নের গোল (Mohun Bagan CFL Champion)
পিছিয়ে পড়েও দমে যায়নি সবুজ-মেরুন ব্রিগেড (Mohun Bagan CFL Champion)। ৭০ মিনিটের মাথায় নিজের ও দলের দ্বিতীয় গোলটি করেন সাহাল। আবারও হেডে গোল করে দলকে ২-২ ব্যবধানে সমতায় ফেরান তিনি। এর ঠিক চার মিনিট পর, ৭৪ মিনিটে আসে জয়সূচক গোলটি। বক্সের বাইরে থেকে রবিলাল মান্ডি বল বাড়ান সাহালকে, আর সাহাল ছোট্ট টোকায় বল বাড়িয়ে দেন সায়ন ব্যানার্জির পায়ে। পোস্টের ছয় গজ দূর থেকে বাঁ পায়ের জোরালো শটে গোল করতে ভুল করেননি প্রাক্তন লাল-হলুদ তারকা সায়ন। এই ৩-২ ব্যবধান শেষ পর্যন্ত বজায় রেখে ম্যাচ জিতে নেয় মোহনবাগান। ট্রফি নিজেদের নামে নিশ্চিত করে শুভাশিসরা।



