Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ২০০৯-১০ সাল থেকে রাজ্যের গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় দিনরাত এক করে কাজ করে চলেছেন তাঁরা। কৃষি ও প্রাণীপালনের কারিগরি সহায়তা থেকে শুরু করে অতিরিক্ত ‘গ্রাম রোজগার সেবক’-এর মতো গুরুদায়িত্ব, সবটাই সামলাচ্ছেন নিষ্ঠার সাথে (Jibika Sebaks Protest)। তবুও মাসের পর মাস মিলছে না পারিশ্রমিক!
চরম আর্থিক অনটন ও মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে ইতিমধ্যেই আত্মহত্যা করেছেন রাজ্যের অন্তত ১৮ জন কর্মী। এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির প্রতিবাদে ও বকেয়া বেতনের দাবিতে এবার আন্দোলনের পথ বেছে নিলেন পশ্চিমবঙ্গের ‘জীবিকা সেবক’রা।
জীবিকা সেবকদের প্রধান ৫ দফা দাবি (Jibika Sebaks Protest)
কলকাতার মৃক্তিকা ভবনের (Mrittika Bhavan) সামনে পশ্চিমবঙ্গ জীবিকা সেবক অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য কমিটির ডাকে বিক্ষোভ (Jibika Sebaks Protest)। সংগঠনের রাজ্য সভাপতি চন্দন ঘোষ, কার্যকরী সভাপতি মহাদেব মণ্ডল এবং সম্পাদক অপরূপ ব্যানার্জি স্পষ্ট জানান, দীর্ঘ দেড় দশক ধরে কাজ করলেও তাঁদের কোনো স্থায়ী বেতন কাঠামো, ইপিএফ (EPF) বা ন্যূনতম সামাজিক সুরক্ষা দেওয়া হয়নি। সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন কর্মীরা।

- স্থায়ী মাসিক বেতন: আসন্ন দুর্গাপুজোর আগেই বাস্তবসম্মত ও নির্দিষ্ট মাসিক বেতন চালু করা।
- চাকরির মেয়াদ ও সুরক্ষা: ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তা দেওয়া।
- সামাজিক নিরাপত্তা: অবিলম্বে সকল কর্মীর জন্য ইপিএফ (EPF) পরিষেবা চালু করা।
- কাজের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা: প্রতিটি জীবিকা সেবকের নির্দিষ্ট কাজের তালিকা প্রদান।
- অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধা: অন্যান্য চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের মতো অবসরকালীন আর্থিক ভাতা প্রদান করা।
আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: শুভেন্দু-আম্বানি সাক্ষাতে কি বাংলার বিনিয়োগ-চিত্র বদলাবে?
সংগঠনের নেতারা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, রাজ্যে মোট ৯৩২ জন জীবিকা সেবক (Jibika Sebaks Protest) কাজ করছেন। মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সরকার যদি দ্রুত তাঁদের এই ন্যায়সঙ্গত দাবিগুলি মেনে না নেয়, তবে পুজোর মুখেই আরও বৃহত্তর ও তীব্র আন্দোলনের পথে হাঁটবেন তাঁরা। যদিও এই অবস্থান বিক্ষোভ নিয়ে রাজ্য সরকারের তরফে এখনো পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


