Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ টার্মিনাসে (Train Fire) দাঁড়িয়ে থাকা মুম্বই-হাওড়া দুরন্ত এক্সপ্রেসের প্যান্ট্রি কারে আগুন লাগার ঘটনায় বুধবার ভোররাতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। ১২২৬১ নম্বর CSMT-হাওড়া দুরন্ত এক্সপ্রেসের রেকে আগুন নজরে আসে। তবে সেই সময় ট্রেনে কোনও যাত্রী না থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।

ভোররাতে প্যান্ট্রি কার থেকে ধোঁয়া (Train Fire)
জানা গিয়েছে, প্রথমে দুরন্ত এক্সপ্রেসের প্যান্ট্রি কার থেকে ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই ধোঁয়া ঘন হয়ে আগুনের আকার নেয়। আগুনের প্রভাবে আশপাশের কামরাগুলিও ধোঁয়ায় ভরে যায়। স্টেশনে থাকা কর্মীদের মধ্যে দ্রুত সতর্কতা তৈরি হয় এবং খবর দেওয়া হয় দমকল ও রেল কর্তৃপক্ষকে।
রেল ও দমকলের তৎপরতায় নিয়ন্ত্রণে আগুন (Train Fire)
খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান রেলকর্মী ও দমকলের কর্মীরা। দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু হয়। তাঁদের তৎপরতায় আগুন আর বড় আকার ধারণ করতে পারেনি। ফলে আগুন অন্য কামরায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও এড়ানো সম্ভব হয়।
কতটা ক্ষতি এখনও অজানা (Train Fire)
অগ্নিকাণ্ডে প্যান্ট্রি কারের বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে ক্ষয়ক্ষতির মোট পরিমাণ এখনও প্রকাশ করা হয়নি। আগুন লাগার সঠিক কারণও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট, বৈদ্যুতিক গোলযোগ কিংবা অন্য কোনও কারণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হাওড়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগেই বিপত্তি (Train Fire)
দুরন্ত এক্সপ্রেসটির মুম্বই থেকে হাওড়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই CSMT-তে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এক প্রত্যক্ষদর্শীর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট অনুযায়ী, ট্রেনটির মুম্বই পৌঁছনো এবং হাওড়ার উদ্দেশে রওনা হওয়ার মধ্যে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময়ের ব্যবধান ছিল। তবে আগুনের সঙ্গে ট্রেনের বিলম্বের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা রেলের তরফে নিশ্চিত করা হয়নি।
আরও পড়ুন: EAST BENGAL-PUNJAB FC: পাঞ্জাব ম্যাচ ঘিরে হাবাসের বিশেষ পরিকল্পনা, কী চমক লাল-হলুদে?
প্যান্ট্রি কারের নিরাপত্তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন
প্যান্ট্রি কারে রান্নার সরঞ্জাম ও বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি থাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। ফলে ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট রেকের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রেলের তদন্ত শেষ হলে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য সামনে আসবে।



