Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: গঙ্গার জলস্তর এবং ভাঙনের (Train Cancellation) জেরে মালদহ ডিভিশনে রেল পরিষেবা ক্রমশ ব্যাহত হচ্ছে। মালদহ ও বিহার সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় রেললাইনের আশপাশের বিস্তীর্ণ অংশ জলের তলায় চলে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবরও একাধিক ট্রেন বাতিল ও ঘুরপথে চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পূর্ব রেল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, তা এখনই নিশ্চিত করে জানাতে পারছে না রেল কর্তৃপক্ষ।
বাড়তে পারে দুর্ভোগ (Train Cancellation)
বৃহস্পতিবার মোট ২২টি ট্রেন সম্পূর্ণ বাতিল (Train Cancellation) করা হয়েছে। এর মধ্যে সাহেবগঞ্জ-মালদা টাউন MEMU, মালদা টাউন-কিউল এক্সপ্রেস, হাওড়া-সাহেবগঞ্জ ইন্টারসিটি, আজিমগঞ্জ-সাহেবগঞ্জ MEMU, ভাগলপুর-সাহেবগঞ্জ এবং রাজমহল-তিনপাহাড়ের মতো একাধিক লোকাল ও দূরপাল্লার পরিষেবা রয়েছে। এর ফলে পুজোর আগে যাত্রীদের দুর্ভোগ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিকল্প রুটে চলবে ট্রেন (Train Cancellation)
এদিকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দূরপাল্লার ট্রেনকে (Train Cancellation) বিকল্প পথে চালানো হচ্ছে। ১ অক্টোবরের ভাগলপুর-রাঁচি বনাঞ্চল এক্সপ্রেস এবং জামালপুর-হাওড়া এক্সপ্রেস ভাগলপুর-দুমকা-রামপুরহাট হয়ে চলবে। অন্যদিকে গয়া-হাওড়া এক্সপ্রেস এবং নাটেশ্বর-হাওড়া স্পেশাল কিউল, ঝাঝা ও আসানসোল হয়ে গন্তব্যে পৌঁছবে।
কিছু ট্রেনের যাত্রাপথও আংশিক বদল করা হয়েছে। রামপুরহাট-গয়া প্যাসেঞ্জার রামপুরহাটের পরিবর্তে সাহেবগঞ্জ থেকে এবং ভাগলপুর-আজিমগঞ্জ প্যাসেঞ্জার ভাগলপুরের বদলে বারহরওয়া থেকে ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: ফ্রিজ থাকা চার অ্যাকাউন্টে স্বস্তি নয়, সুপ্রিম কোর্টে খারিজ মমতা তৃণমূলের আবেদন
রেলের তরফে জানানো হয়েছে, প্লাবিত মাটি শক্ত না হওয়া এবং জল না কমা পর্যন্ত ট্রেন চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক করা কঠিন। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে রেল কর্তৃপক্ষ। যাত্রীদের যাত্রার আগে সংশ্লিষ্ট ট্রেনের পরিষেবা সম্পর্কে খোঁজ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

