Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দীর্ঘদিন পর ফের ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হল রাজধানী দিল্লিতে (Delhi Earthquake)। মঙ্গলবার রাত প্রায় ১০টা ২০ মিনিট নাগাদ আচমকাই কেঁপে ওঠে উত্তরাখণ্ডের চামোলি। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (NCS)-এর প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে প্রায় ৪.৯। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১৩ কিলোমিটার গভীরে। চামোলিকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই কম্পনের প্রভাব শুধু উত্তরাখণ্ডেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। রাজধানী দিল্লি-সহ আশপাশের একাধিক এলাকাতেও মৃদু থেকে মাঝারি কম্পন অনুভূত হয়।

দিল্লি, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশেও কম্পন (Delhi Earthquake)
চামোলিতে ভূমিকম্পের মূল ঝাঁকুনি অনুভূত হওয়ার পর প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই দিল্লি ও রাজধানী সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় কম্পন টের পাওয়া যায়। পাঞ্জাব ও হরিয়ানার পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের কিছু অংশেও ভূমিকম্পের প্রভাব অনুভূত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। হিমাচল প্রদেশের শিমলাতেও কম্পন অনুভূত হওয়ার খবর সামনে এসেছে। রাতের সময়ে আচমকা মাটি কেঁপে ওঠায় অনেকের মধ্যেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে প্রাথমিকভাবে কোথাও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি, প্রাণহানি বা পরিকাঠামোগত বিপর্যয়ের খবর পাওয়া যায়নি।
ভূমিকম্পের উৎস কোথায়? (Delhi Earthquake)
ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তরফে সামাজিক মাধ্যমে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের মূল কেন্দ্র ছিল উত্তরাখণ্ডের চামোলি। প্রায় ১৩ কিলোমিটার গভীরে ছিল এর উৎসস্থল। ৪.৯ মাত্রার এই ভূমিকম্পের কম্পন উত্তরাখণ্ডের বিস্তীর্ণ এলাকা ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলিতেও পৌঁছে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে কম্পনের মাত্রার পাশাপাশি উৎসস্থলের গভীরতা এবং কেন্দ্র থেকে দূরত্বও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে তুলনামূলকভাবে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প হলেও বিস্তীর্ণ অঞ্চলে তার কম্পন অনুভূত হতে পারে।
একই দিনে অসমেও ভূমিকম্প (Delhi Earthquake)
উল্লেখযোগ্যভাবে, এদিন দুপুরেই অসমের নগাঁওতেও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছিল। কাকতালীয়ভাবে ওই দিনই সেখানে নির্বাচন চলছিল। তবে ভূমিকম্পের কারণে সাধারণ ভোটারদের বিশেষ সমস্যায় পড়তে হয়নি বলে জানা যায়। একই দিনে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ভূকম্পনের খবর সামনে আসায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।
দিল্লির অতীতের ভূমিকম্পের স্মৃতি ফিরল
গত বছরের শুরুতেও একাধিকবার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল দিল্লি ও সংলগ্ন এলাকা। সেই সময় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি না হলেও বারবার কম্পনে সাধারণ মানুষের মধ্যে যথেষ্ট আতঙ্ক তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক থাকার বার্তাও দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।



