Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: সরকার বদলের পর বীরভূমে পাথরের ডিসিআর বা ডিস্ট্রিক্ট সেস রেভিনিউ আদায়ে বড় পরিবর্তনের ছবি সামনে এসেছে (CM Suvendu Adhikari)। রাজ্য সরকারের প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, গত বছরের গোটা অক্টোবর মাসে পাথরের ডিসিআর থেকে যে পরিমাণ রাজস্ব আদায় হয়েছিল, চলতি বছরের ১১ অক্টোবর একদিনেই তার চেয়ে বেশি অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা পড়েছে। ১১ অক্টোবর একদিনে আদায় হয়েছে ৩ কোটি ৪৪ লক্ষ ১১ হাজার ৪১০ টাকা। যেখানে গত বছরের অক্টোবর মাসে মোট আদায় ছিল প্রায় ৩ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা।

১১ দিনেই রাজস্ব ৩২ কোটি পার (CM Suvendu Adhikari)
চলতি বছরের ১ থেকে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত বীরভূমে পাথরের ডিসিআর থেকে মোট রাজস্ব আদায়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২ কোটি ১৭ লক্ষ ৩৮ হাজার ৫৯৫ টাকা ২০ পয়সা। এই সময়ের মধ্যে তৈরি হয়েছে মোট ৪১ হাজার ৩৩৩টি রসিদ। পরিসংখ্যান বলছে, ৮ অক্টোবরও একদিনে ৩ কোটি ২৩ লক্ষ ২৩ হাজার ৫০০ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছিল। ১০ অক্টোবর আদায় হয়েছিল ২ কোটি ৩০ লক্ষ ৬৫ হাজার ২০ টাকা। তার পরের দিনই সেই অঙ্ক বেড়ে পৌঁছে যায় ৩ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকারও বেশি।
রাজস্ব ফাঁকি রুখতেই কি বদল? (CM Suvendu Adhikari)
রাজ্য সরকারের দাবি, পাথরের ডিসিআর থেকে রাজস্ব আদায়ের এই বৃদ্ধি প্রশাসনিক কড়াকড়ি এবং রাজস্ব ফাঁকি বন্ধে নেওয়া পদক্ষেপের ফল। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সমাজমাধ্যমে এই পরিসংখ্যান তুলে ধরে জেলা প্রশাসন এবং ভূমি দফতরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তাঁর প্রকাশিত হিসাবেই উঠে এসেছে একদিনের এই বিপুল রাজস্ব সংগ্রহের ছবি।
পুরনো ব্যবস্থাকে ঘিরে ছিল অভিযোগ (CM Suvendu Adhikari)
বীরভূমে পাথর ব্যবসা ও ডিসিআর নিয়ন্ত্রণকে ঘিরে আগের সরকারের সময়ে একাধিক অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপি নেতাদের অভিযোগ ছিল, প্রাপ্য রাজস্বের বড় অংশ সরকারি কোষাগারে জমা পড়ত না। তাঁদের দাবি, অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের প্রভাবের কারণে দীর্ঘদিন ধরে এই ক্ষেত্রে অনিয়ম চলেছে। যদিও এই অভিযোগগুলির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্যকে আলাদা করে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
আরও পড়ুন: Agnimitra Paul: ফ্যাশন ডিজাইনারের হাত ধরে হলুদ-লালে মাতছে কলকাতা
১০০ কোটির লক্ষ্যে বীরভূম
নতুন সরকারের আমলে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বাড়ার সঙ্গে রাজস্ব আদায়েও পরিবর্তন এসেছে—এমনটাই তুলে ধরছেন রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিরা। রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী তথা সিউড়ির বিধায়ক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়ও এই পরিসংখ্যানকে রাজস্ব ফাঁকির বিরুদ্ধে সরকারের পদক্ষেপের সাফল্য হিসেবে দেখছেন।



