Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে সিজেপির (CJP Protest) আন্দোলনের পেছনে বিদেশী শক্তির হাত রয়েছে। এই আবহে ভারতের CJP আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে এবার সরব হলেন বাংলাদেশের ছাত্রনেতা ও ইউনূস সরকারের তৎকালীন মন্ত্রী সারজিস আলম। দিল্লিতে তরুণ আন্দোলনকারীদের আটক, বিক্ষোভে বিধিনিষেধ এবং গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলে ভারতের যুবসমাজের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ফলে ভারতের ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
ভারতের তরুণদের পাশে সারজিস আলম (CJP Protest)
১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশের রাজধানী (CJP Protest) ঢাকা থেকে ভারতের তরুণ ও গণতান্ত্রিক শক্তিগুলির উদ্দেশে একটি সংহতি বার্তা প্রকাশ করেন সারজিস আলম। সেখানে তিনি জানান, গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষা, নির্বাচনী স্বচ্ছতা এবং সরকারের জবাবদিহির দাবিতে ভারতের তরুণ প্রজন্ম যে আন্দোলন করছে, তার পাশে রয়েছে বাংলাদেশের তরুণরাও।

যন্তর-মন্তর নিয়ে কথা (CJP Protest)
সারজিসের বক্তব্য অনুযায়ী, দিল্লিতে (CJP Protest) শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারী, সংগঠক ও সাংবাদিকদের আটক করা, ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা এবং যন্তর মন্তরে প্রতিবাদের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা মৌলিক স্বাধীনতার জন্য উদ্বেগজনক। তাঁর মতে, নির্বাচনী ব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে ওঠা প্রশ্নের স্বচ্ছ উত্তর দেওয়া প্রয়োজন। প্রতিবাদ দমন বা সংবাদমাধ্যমের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করে সেই প্রশ্নের সমাধান করা যায় না।
শেখ হাসিনার শাসনকাল ও বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনের প্রসঙ্গ (CJP Protest)
ভারতের তরুণদের আন্দোলনকে সমর্থন জানাতে গিয়ে (CJP Protest) সারজিস আলম বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেছেন। তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রায় ১৫ বছরের শাসনকালের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা আন্দোলনের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে।
সারজিস আলমের বক্তব্য, বাংলাদেশের মানুষ নিজেরাই দমন-পীড়ন ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে গিয়েছে। তাই ভারতের তরুণদের প্রতিবাদ এবং তাঁদের অধিকারের দাবিকে তাঁরা বুঝতে পারেন। বাংলাদেশের আন্দোলনের সময় ভারতীয় ছাত্র, লেখক ও স্বাধীন মতপ্রকাশের পক্ষে থাকা ব্যক্তিদের কাছ থেকে যে সংহতি পাওয়া গিয়েছিল, তার কথাও তিনি স্মরণ করেছেন।
দিলীপ ঘোষের দাবি, আন্দোলনের পিছনে বিদেশি শক্তি
অন্যদিকে, ভারতের CJP আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে বিদেশি মদতের অভিযোগ তুলেছেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, বিদেশ থেকে অর্থসাহায্য ও মদতের মাধ্যমে ভারতের পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে সেই অর্থসাহায্যের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়ায় আন্দোলনকারীদের একাংশ ভয় পেয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
দিলীপ ঘোষের কথায়,
“এই যে ভারতকে অশান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, তার পিছনে যে বিদেশি শক্তি রয়েছে, একথা তো বারবার বলা হচ্ছে। বিদেশ থেকে মদত দেওয়া হচ্ছে। তবে ফান্ডিংয়ের রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সেই কারণে ওরা আরও ভয় পেয়েছে।”
সব মিলিয়ে, দিলীপ ঘোষের অভিযোগের আবহে ভারতের CJP আন্দোলনের প্রতি সারজিস আলমের প্রকাশ্য সমর্থন তার দাবিকেই আরও জোরালো করে তুলেছে।

