Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ ঘিরে (CJP Protest) ফের উত্তেজনা। মঙ্গলবার সকালে নিষিদ্ধ এলাকায় ঢুকে জাতীয় পতাকা মেলে ধরার অভিযোগে ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র দুই শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আটক করল দিল্লি পুলিশ। তাঁদের সঙ্গে থাকা দলের আরও কয়েক জন সমর্থককেও আটক করা হয়েছে। আটক করা হয়েছে CJP নেতা অজিঙ্ক শিন্দেকেও। আইন ভাঙার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
গেট টপকে যন্তর মন্তরের প্রবেশ (CJP Protest)
প্রাথমিক খবর অনুযায়ী, দিল্লিতে জেডিইউয়ের কার্যালয়ের (CJP Protest) দিকের একটি গেট টপকে যন্তর মন্তরের ভিতরে প্রবেশ করেন আন্দোলনকারীরা। সেখানে গিয়ে জাতীয় পতাকা তুলে ধরেন তাঁরা। উল্লেখ্য, সোমবার থেকেই যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি বন্ধ রাখার নির্দেশ কার্যকর হয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীন দিল্লি পুলিশ, মন্ত্রকের (CJP Protest) একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, যন্তর মন্তরের পরিবর্তে প্রতিবাদ ও সভা-সমাবেশের জন্য তিনটি জায়গা নির্দিষ্ট করা হয়েছে-রামলীলা ময়দান, বুরারি মাঠ এবং পূর্ব দিল্লির সিবিডি এলাকা।
শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি
ঘটনার আগের দিনই শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অনুমতি চাইতে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় গিয়েছিলেন সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কারা। অনুমতি না মেলায় ফের আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করার কথা জানিয়েছিল CJP নেতৃত্ব।
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ বন্ধের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দলের প্রধান অভিজিৎ দীপ সমাজমাধ্যমে লেখেন, ওই জায়গায় প্রতিবাদ করতে না দেওয়া হলে আন্দোলন আরও ছড়িয়ে দেওয়া হবে। তাঁর বক্তব্য, যন্তর মন্তরেই প্রতিবাদের সুযোগ বন্ধ হলেও দেশের সর্বত্র প্রতিবাদের আওয়াজ পৌঁছে যাবে।
আরও পড়ুন: CJP Protest: ভারতের CJP আন্দোলনে বাংলাদেশের মদত? সারজিসের সমর্থন, বিস্ফোরক দাবি দিলীপের
সেই বার্তার পরের দিনই যন্তর মন্তরে ঢুকে CJP নেতাদের আটক করার ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি করেছে। তবে আটক নেতাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়।


