Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: হিন্দুধর্মে রুদ্রাক্ষকে অত্যন্ত পবিত্র (Rudraksha) বলে মনে করা হয়। শিবভক্তদের গলায় রুদ্রাক্ষের মালা প্রায়শই দেখা যায়। বিশ্বাস করা হয়, রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে মহাদেবের আশীর্বাদ লাভ করা যায়। কিন্তু কখনও ভেবে দেখেছেন, কীভাবে জন্ম হয়েছিল এই রুদ্রাক্ষের? এর নেপথ্যে জড়িয়ে রয়েছে দেবাদিদেব মহাদেবের চোখের জলের এক পৌরাণিক কাহিনি।
রুদ্রাক্ষ নামের অর্থ কী? (Rudraksha)
সংস্কৃত শব্দ ‘রুদ্র’ এবং ‘অক্ষ’ থেকে এসেছে রুদ্রাক্ষ (Rudraksha) নামটি। এখানে ‘রুদ্র’ বলতে শিবকে এবং ‘অক্ষ’ বলতে চোখ বা অশ্রুবিন্দুকে বোঝানো হয়। অর্থাৎ, প্রচলিত বিশ্বাস অনুসারে রুদ্রাক্ষ হল শিবের চোখের জল।
কীভাবে জন্ম হয়েছিল রুদ্রাক্ষের? (Rudraksha)
পৌরাণিক কাহিনি অনুযায়ী, একসময় মহাদেব দীর্ঘকাল গভীর ধ্যানে মগ্ন ছিলেন। ধ্যান ভাঙার পর তিনি যখন চোখ খুললেন, তখন তাঁর চোখ থেকে কয়েক ফোঁটা অশ্রু পৃথিবীতে পড়ে। সেই অশ্রুবিন্দু থেকেই জন্ম নেয় রুদ্রাক্ষ গাছ। পরে সেই গাছের ফলের বীজই রুদ্রাক্ষ নামে পরিচিত হয়। যদিও বিভিন্ন পুরাণ ও ধর্মীয় ব্যাখ্যায় এই কাহিনির বিবরণে কিছু পার্থক্য দেখা যায়।
আরও পড়ুন: Bank Open: সপ্তমীতেও খোলা ব্যাঙ্ক, কাজ মেটান আজই, এরপর লম্বা ছুটি
রুদ্রাক্ষ কেন এত পবিত্র?
শিবের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্ক থাকার কারণে রুদ্রাক্ষকে ভক্তি, সাধনা ও আধ্যাত্মিকতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। বহু সাধক ও ভক্ত জপের জন্য রুদ্রাক্ষের মালা ব্যবহার করেন। প্রচলিত বিশ্বাস, রুদ্রাক্ষ ধারণ করলে মন শান্ত থাকে এবং নেতিবাচকতা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে এগুলি মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অংশ।


