Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দিল্লির যন্তর মন্তরে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন (CJP) ও স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার মুক্তি নিয়ে বিতর্ক তীব্র হয়েছে। তাঁদের জামিন প্রক্রিয়া ইচ্ছাকৃতভাবে দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে দল সিজেপি। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে দিল্লি পুলিশ বা প্রশাসনের বক্তব্য এখানে পাওয়া যায়নি।
কী অভিযোগ? (CJP)
গত ১৩ অক্টোবর যন্তর মন্তরে প্রবেশের ঘটনায় গ্রেফতার (CJP) করা হয় সিজেপি-র দুই নেতাকে। পরে তাঁদের পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। এরপর থেকেই তাঁদের মুক্তির প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে দলটি। সিজেপি-র দাবি, সামান্য অজুহাতে জামিন সংক্রান্ত নথি খারিজ করা হচ্ছে এবং আদালতের প্রক্রিয়ায় অযথা দেরি করা হচ্ছে।
দলের আইনি প্রধান রত্না সিংয়ের অভিযোগ, নির্ধারিত সময় দুপুর ১২টা হলেও সংশ্লিষ্ট আদালতে বিচারক ও সরকারি আইনজীবী পৌঁছন বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ। তাঁর আরও দাবি, কয়েক দিন সরকারি আইনজীবীর অনুপস্থিতির পর শুনানির দিন অন্য একটি বিষয় সামনে আনা হয়। বিচারকের কাছে আসা একটি হুমকি বার্তার প্রসঙ্গ তুলে মূল মামলা থেকে নজর সরানোর চেষ্টা হয়েছে বলেও অভিযোগ সিজেপি-র।
বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাধা (CJP)
জামিনের জন্য জমা দেওয়া গ্যারান্টি এবং ফিক্সড ডিপোজিটের নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রেও বাধা দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি দলের আইনজীবীদের। সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দুই নেতার গ্রেফতারি দীর্ঘায়িত করার অভিযোগ তুলেছেন।
আরও পড়ুন: Tiger Shroff: ‘মুম্বইয়ে দাদাগিরি চলবে না’, টাইগার শ্রফের সঙ্গে দেখা করে কড়া বার্তা শিন্দের
অন্যদিকে, বিচারকের কাছে আসা হুমকি বার্তার ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নন-কগনিজেবল রিপোর্ট দায়ের করেছে দিল্লি পুলিশ বলে জানা গিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মুক্তির প্রক্রিয়া নিয়ে আইনি লড়াই আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছে সিজেপি। দলটির দাবি, তারা উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হবে।


