Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পুজোর আবহে কলকাতায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড! নবমীর ভোরে দক্ষিণ কলকাতার বাঘাযতীন বাজারে আগুন লাগার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এলাকায় (Baghajatin Market Fire)। আগুনের গ্রাসে পুড়ে ছাই হয়ে যায় প্রায় ১৫টি দোকান। উৎসবের মরসুমে এমন ঘটনায় মাথায় হাত ব্যবসায়ীদের। চোখের সামনে দোকান পুড়ে যাওয়ার ঘটনায় ভেঙে পড়েন বহু ব্যবসায়ী।
একটি দোকান থেকে ছড়াল আগুন (Baghajatin Market Fire)
দমকল সূত্রে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, বাজারের ভিতরে থাকা একটি বাতাসা তৈরির দোকানে প্রথম আগুন লাগে। ভোর ৪টে নাগাদ আগুন লাগার ঘটনা ঘটে বলে অনুমান। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের একাধিক দোকানে। তবে ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্তের প্রয়োজন।
আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৫টি ইঞ্জিন (Baghajatin Market Fire)
আগুন লাগার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় নেতাজিনগর থানার পুলিশ। খবর দেওয়া হয় দমকলকে। আগুনের তীব্রতা বাড়তে থাকায় একের পর এক দমকলের ইঞ্জিন পাঠানো হয়। শেষ পর্যন্ত ১৫টি ইঞ্জিনের প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বাজারের অন্য অংশে যাতে আগুন ছড়িয়ে না পড়ে, সেদিকেও বিশেষ নজর রাখেন দমকলকর্মীরা।
রাজা এসসি মল্লিক রোডে যানজট (Baghajatin Market Fire)
অগ্নিকাণ্ডের জেরে গড়িয়া ও যাদবপুরের মধ্যে সংযোগকারী রাজা এসসি মল্লিক রোডে যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে মোতায়েন থাকে পুলিশ। আগুন নেভানোর পাশাপাশি এলাকায় নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলে।
আরও পড়ুন: DESU 7 Film Review: ভরপুর অ্যাকশন, রোম্যান্সে মাখামাখি, কেমন হল দেবের দেশু ৭?
পুজোর মুখে সর্বস্বান্ত ব্যবসায়ীরা
ভোরে আগুন লাগার খবর পেয়ে বাজারে ছুটে আসেন বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী। পুজোর মরসুমে এমন বিপর্যয়ে অনেকেই কার্যত সর্বস্ব হারানোর আশঙ্কায় ভেঙে পড়েন। ঘটনাস্থলে যান যাদবপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়ও। এখনও পর্যন্ত অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসার পরই ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ বোঝা যাবে বলে জানা গিয়েছে।



