Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: একটা মেয়ে ছোটবেলা থেকেই শিখে আসে, (Women Empowerment) ভালো হতে গেলে চুপ থাকতে হয়। বড়দের মুখের উপর কথা বলা যাবে না, সংসারে অশান্তি হলে মানিয়ে নিতে হবে, নিজের কষ্ট লুকিয়ে অন্যের মুখে হাসি ফোটাতে হবে। সমাজ এমন মেয়েকেই বলে ‘লক্ষ্মী মেয়ে’। কিন্তু কেউ কি একবারও জানতে চায়, সেই হাসির আড়ালে কতটা অভিমান জমে আছে?
প্রতিবাদে না! (Women Empowerment)
লক্ষ্মী মানে শান্তি, মমতা আর (Women Empowerment) ভালোবাসা। আর কালী মানে শক্তি, সাহস ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর ক্ষমতা। অথচ সমাজ যেন মেয়েদের শুধু লক্ষ্মীর রূপেই দেখতে অভ্যস্ত। তারা ভালোবাসবে, ক্ষমা করবে, সব সহ্য করবে-কিন্তু প্রতিবাদ করবে না। নিজের জন্য মুখ খুললেই বদলে যাবে পরিচয়। তখন সে আর লক্ষ্মী নয়, সে নাকি রাগী, জেদি, অহংকারী!
নীরবতা মানেই ভালো? (Women Empowerment)
কিন্তু কেন? একজন মেয়ে নিজের সম্মান রক্ষার জন্য প্রতিবাদ করলে দোষ কোথায়? অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো কি খারাপ হওয়ার লক্ষণ? নাকি এত দিন ধরে মেয়েদের নীরবতাকেই তাদের ভালো হওয়ার প্রমাণ হিসেবে ধরে নেওয়া হয়েছে?
অন্যায়কে প্রশয় নয়
আজকের মেয়েরা সেই পুরনো ধারণাকে প্রশ্ন করতে শিখেছে। তারা সংসারকে ভালোবাসে, সম্পর্ককে আগলে রাখে, পরিবারকে আপন করে নেয়। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দেবে। তারা জানে, ক্ষমা করা মহৎ, তবে সব অন্যায় মেনে নেওয়া মহত্ত্ব নয়।
আরও পড়ুন: Cyclone Arnab Effect: দুর্বল হয়েছে ‘অর্ণব’, তবু কাটেনি দুর্যোগ! বৃষ্টিতে ভিজছে বাংলা
মেয়েরা লক্ষ্মী হতে চায় না, এমন নয়। তারা শুধু প্রয়োজনের সময়ে কালী হওয়ার অধিকারটুকু চায়।


