Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: রিমিক মাঝি: কলকাতা কর্পোরেশন ভোটে (Kolkata Municipal Elections) আপাতত আর কোনও আইনি জটিলতা রইল না। কলকাতা কর্পোরেশনের ওয়ার্ডের পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশনকে চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ বা স্থগিতাদেশ দিল না কলকাতা হাইকোর্ট। ডিলিটেশনের উপর অন্তর্বর্তী আদেশের মামলাকারীদের আবেদন খারিজ করে দিবেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্য্যর বেঞ্চ। তবে মামলা খারিজ করেনি আদালত। পরবর্তী শুনানিতে উভয়পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। মামলার গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে রাজ্যকে তিন সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা জমা দিতে হবে। তার চার সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা দিয়ে জবাব দেবে মামলাকারীরা। আগামী ছয় সপ্তাহ পর এই মামলার পরবর্তী শুনানি। ফলে কলকাতা কর্পোরেশনের নির্বাচনে আর কোনও বাধা রইল না।
ডিলিমিটেশন অপ্রয়োজনীয় বলে দাবি! (Kolkata Municipal Elections)
বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে মামলাকারীর আইনজীবী (Kolkata Municipal Elections) বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য্য আদালতে সওয়ালে দাবি করেন, আসন পুনর্বিন্যাস করা মানেই শহরবাসীর ঘরে অতিরিক্ত খরচের বোঝা চাপিয়ে দেওয়া। জনসংখ্যা অনুযায়ী সব ওয়ার্ডের বিন্যাস সঠিকভাবে করা হয়নি। গত বিধানসভা নির্বাচনে শাসক দল বিজেপি যে জায়গায় যেমন ভোট পেয়েছে সেই মতো ডিলিমিটেশন করা হয়েছে। তাই এই ডিলিমিটেশন শাসকদলের পূর্বপরিকল্পিত এবং সম্পূর্ণ অযৌক্তিক ও অপ্রয়োজনীয় বলে দাবি করেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য্য।
পাল্টা সওয়াল (Kolkata Municipal Elections)
পাল্টা সওয়ালে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল সুরজিৎ নাথ মিত্র দাবি করেন, কলকাতা কর্পোরেশনের ওয়ার্ডের পুনর্বিন্যাস নিয়ে বিধানসভায় আনা প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছেন রাজ্যপাল। এই প্রক্রিয়া গত অগাস্ট মাস থেকে শুরু হয়েছে। তখন কেন আপত্তি করা হয়নি, এই প্রশ্ন তোলেন এজি। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, এই মামলা কোনও রাজনৈতিক দল করেনি।
আরও পড়ুন: Rahul Gandhi Rally: ‘ভোটচুরি’র প্রতিবাদে সভা ঘিরে আপত্তি, দীপাবলির আগে ব্যবসায় লোকসানের আশঙ্কা!
আগামী নভেম্বরে কলকাতা কর্পোরেশন এবং হাওড়া কর্পোরেশনের নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই পুর নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় আইনি লড়াই। কলকাতা কর্পোরেশনের ওয়ার্ডের ডিলিমিটেশনের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দায়ের হয় মামলা। আগে কলকাতা কর্পোরেশনের ওয়ার্ড সংখ্যা ছিল ১৪৪। ডিলিমিটেশনের পর ওয়ার্ড সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২০৯। আর এই ডিলিমিটেশন নিয়েই প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন কসবার এক বাসিন্দা। মামলাকারীর দাবি, ডিলিমিটেশন অযৌক্তিক, কোনও সামাঞ্জস্য নেই। মামলা দায়েরের অনুমতি দেয় কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। বৃহস্পতিবার সেই মামলাতেই ডিলিমিটেশনের উপর অন্তর্বর্তী নির্দেশের আবেদন খারিজ করে দিল হাইকোর্ট। ফলে কলকাতা কর্পোরেশনের নির্বাচন হতে আর কোনও বাধা রইল না।


