Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: কালীপুজোর আগে প্রতি বছরের মতো এবারও শহীদ মিনারের মাঠে বসতে চলেছে বাজির বাজার (Kali Puja)। আগামী ২ নভেম্বর থেকে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এই বাজার। ইতিমধ্যেই বাজার চত্বরে শুরু হয়ে গিয়েছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। তবে এবছর পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথমবার এই বাজির বাজার বসায় যেমন উৎসাহ রয়েছে, তেমনই নিরাপত্তা নিয়েও প্রশাসনের তরফে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।
চোরবাগান কাণ্ডের পর আরও সতর্ক প্রশাসন (Kali Puja)
সম্প্রতি চোরবাগানের মর্মান্তিক ঘটনার পর কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না কলকাতা পুলিশ বা দমকল দফতর। বাজির বাজারের মতো অত্যন্ত সংবেদনশীল জায়গায় অগ্নিনিরাপত্তা ও ভিড় নিয়ন্ত্রণকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাজি মজুত, বিক্রি এবং ক্রেতাদের চলাচলের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নিয়ম যথাযথভাবে মানা হচ্ছে কি না, সেদিকেও নজর রাখা হবে।
যৌথ পরিদর্শনের প্রস্তুতি (Kali Puja)
বাজার শুরুর আগে গোটা এলাকা খতিয়ে দেখতে কলকাতা পুলিশ ও দমকল দফতরের যৌথ পরিদর্শনের কথা ছিল। সেই অনুযায়ী প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। তবে স্পটে গিয়ে দেখা যায়, একটি দফতরের তরফে পরিদর্শন সম্পন্ন হলেও কলকাতা পুলিশের পরিদর্শন এখনও বাকি রয়েছে। ফলে চূড়ান্ত অনুমোদনের প্রক্রিয়াও এখনও সম্পূর্ণ হয়নি।
অগ্নিনিরাপত্তাই বড় পরীক্ষা (Kali Puja)
বাজির বাজারে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ অগ্নিকাণ্ডের সম্ভাবনা। তাই অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমন পথ, বাজারের ভিতরে পর্যাপ্ত জায়গা এবং দমকলের গাড়ি ঢোকার রাস্তা—সবকিছুই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও জায়গায় সামান্য ঘাটতি থাকলেও তা সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।
চূড়ান্ত ছাড়পত্রের অপেক্ষা (Kali Puja)
নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখার পরেই বাজারকে চূড়ান্ত ছাড়পত্র দেওয়া হবে। অর্থাৎ শুধু বাজারের পরিকাঠামো তৈরি হলেই কাজ শেষ নয়, প্রশাসনের সমস্ত শর্ত পূরণ করাটাই এখন মূল বিষয়। বিশেষ করে চোরবাগান কাণ্ডের পর নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোনওরকম আপস করতে নারাজ প্রশাসন।
আরও পড়ুন: Cyclone Arnab Effect: ৩১টি বাড়ি ধূলিসাৎ, বিদ্যুৎ বিপর্যয়! বিপর্যস্ত অন্ধ্রে মৃত ৩
উৎসবের বাজারে নজর থাকবে প্রশাসনের
২ নভেম্বর থেকে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত শহীদ মিনারের মাঠে বাজির বাজারে সাধারণ মানুষের ভিড় বাড়বে বলেই প্রত্যাশা। ফলে বাজার চলাকালীনও নজরদারি জারি রাখার প্রয়োজন রয়েছে। ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দুর্ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার উপরই জোর দেওয়া হচ্ছে। সব দিক খতিয়ে দেখে কলকাতা পুলিশের পরিদর্শন সম্পন্ন হওয়ার পরই মিলবে চূড়ান্ত ছাড়পত্র। ফলে এবছরের বাজির বাজারে উৎসবের আমেজের পাশাপাশি নিরাপত্তাই যে সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার, তা স্পষ্ট।



