Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’-এর দাপটে বিপর্যস্ত (Cyclone Arnab Effect) অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলবর্তী এলাকাগুলি। প্রবল ঝড় ও বৃষ্টির জেরে রাজ্যে এখনও পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বহু বাড়িঘর, উপড়ে পড়েছে গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি। ব্যাহত হয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ, রেল এবং বিমান পরিষেবা। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে ময়দানে নামানো হয়েছে।
অন্ধ্রেই ল্যান্ডফল (Cyclone Arnab Effect)
বুধবার ভোরে অন্ধ্রপ্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূল (Cyclone Arnab Effect) দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করে ঘূর্ণিঝড়টি। ঝড়ের সর্বোচ্চ দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছেছিল বলে জানা গিয়েছে। আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, স্থলভাগে প্রবেশের সময় একটানা বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। বিশাখাপত্তনমে রেকর্ড হয়েছে ২১৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত। বাপাটলা থেকে বিশাখাপত্তনম পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকায় ঝড়ের প্রভাব পড়েছে। অন্তত ৩১টি বাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়েছে বলে খবর।
কেন প্রাণহানির ঘটনা? (Cyclone Arnab Effect)
বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে জমা জলে পড়ে থাকায় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে। কৃষিজমি ও জলমগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বেড়েছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন রাস্তায় গাছ ও বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছে। দুর্যোগের আশঙ্কায় একাধিক ট্রেনের পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে এবং কলকাতা বিমানবন্দর থেকেও বেশ কয়েকটি উড়ান বাতিল করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: Indian Railways: সঙ্গে রাখুন পাওয়ার ব্যাঙ্ক, রাতে আর ট্রেনে চার্জ দেওয়া যাবে না!
পরিস্থিতি মোকাবিলায় অন্ধ্রপ্রদেশে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ৩৯টি দল এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর ৮০টি দল মোতায়েন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থা ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছেন।


