Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: চোরবাগান-কাণ্ডের পর আসন্ন কালীপুজোকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাড়তি সতর্ক কলকাতা পুলিশ ও প্রশাসন (Kali Puja 2026)। দুর্গাপুজোর সময় ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে কোনওভাবেই না হয়, তার জন্য এবার আগে থেকেই একাধিক পদক্ষেপ করা হচ্ছে। পুজোর আনন্দে যাতে কোনওরকম বিশৃঙ্খলা, দুর্ঘটনা কিংবা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি না হয়, সেই লক্ষ্যেই জারি করা হয়েছে একগুচ্ছ নির্দেশিকা। বাজি ফাটানো থেকে শুরু করে প্রতিমা বিসর্জন, লাউডস্পিকার ব্যবহার—প্রতিটি ক্ষেত্রেই নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে কলকাতা পুলিশ।
বাজি ফাটানোর সময়সীমা বেঁধে দিল পুলিশ (Kali Puja 2026)
কালীপুজোয় শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশেষভাবে নজর দিচ্ছে প্রশাসন। নির্দেশিকা অনুযায়ী, সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত পরিবেশবান্ধব সবুজ বাজি ফাটানো যাবে। নির্ধারিত সময়ের বাইরে বাজি ফাটানো হলে নিয়মভঙ্গের অভিযোগ উঠতে পারে। পাশাপাশি নিষিদ্ধ শব্দবাজির ব্যবহার থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি পরিবেশ ও সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত।
১০ থেকে ১২ নভেম্বরের মধ্যেই শেষ করতে হবে বিসর্জন (Kali Puja 2026)
প্রতিমা বিসর্জনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করেছে কলকাতা পুলিশ। নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগামী ১০ থেকে ১২ নভেম্বরের মধ্যে কালীপ্রতিমার বিসর্জন সম্পন্ন করতে হবে। বিসর্জনকে কেন্দ্র করে শোভাযাত্রায় যাতে অতিরিক্ত শব্দদূষণ বা বিশৃঙ্খলা তৈরি না হয়, তার জন্যও একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। বিসর্জনের শোভাযাত্রায় কোনওরকম শব্দবাজি ফাটানো যাবে না। একইসঙ্গে ডিজে ব্যবহারের উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
লাউডস্পিকার ও সাউন্ড বক্স ব্যবহারে কড়া নিয়ম (Kali Puja 2026)
পুজোর মণ্ডপ কিংবা বিসর্জনের আয়োজন—সর্বত্রই শব্দ নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায় প্রশাসন। সেই কারণে লাউডস্পিকার ও সাউন্ড বক্স ব্যবহারের সময়ও নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এবং সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত লাউডস্পিকার ব্যবহার করা যাবে। নির্ধারিত সময়সীমা মেনে চলার জন্য পুজো উদ্যোক্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: Government Job: রাজনৈতিক হিংসায় নিহতদের পরিবারের পাশে রাজ্য, মিলবে গ্রুপ-ডি চাকরি
নিরাপদ কালীপুজোই পুলিশের প্রধান লক্ষ্য
চোরবাগান-কাণ্ডের পর এবারের কালীপুজো প্রশাসনের কাছে বিশেষ চ্যালেঞ্জ। তাই যান নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শব্দদূষণ রোধ এবং বিসর্জন প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পুলিশের নির্দেশিকা মেনে চলার পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তা ও সাধারণ মানুষকেও সহযোগিতার আবেদন জানানো হচ্ছে।



