Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: কসবায় চাকরিহারাদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদে বিজেপি বিধায়কদের আন্দোলনে ব্যাপক উত্তেজনা। বিজেপি বিধায়কদের ‘লালবাজার অভিযান’ ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি (BJP Protest)। রাস্তায় বসে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পালরা। তাঁরা সরকার ও পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে দাবি করেন যে, চাকরিহারা মানুষদের প্রতি পুলিশি আচরণ অমানবিক এবং তাদের সমস্যায় রাষ্ট্রের উদাসীনতা স্পষ্ট।
শঙ্কর ঘোষ ও অগ্নিমিত্রা পাল রাস্তায় বসে প্রতিবাদ (BJP Protest) জানাতে থাকেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই এই প্রতিবাদ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। পুলিশের সঙ্গে তুমুল ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি বিধায়করা। পুলিশ তাদেরকে সরে যেতে বলার পরও, শঙ্কর ঘোষ রাস্তায় শুয়ে পড়ে প্রতিবাদ দেখাতে থাকে। টেনে-হিঁচড়ে তাঁদের প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। আটক অগ্নিমিত্রা পাল, শঙ্কর ঘোষ সহ আট বিজেপি বিধায়ক।

কসবা-কাণ্ডে বিজেপির বিক্ষোভে ধুন্ধুমার (BJP Protest)
কসবায় ডিআই অফিসের সামনে তুমুল বিক্ষোভ চাকরিহারা শিক্ষকদের। তারা জোর করে ডিআই অফিস চত্বরে প্রবেশ করেন বলে খবর। এরপরই পুলিশ মারমুখী হয়ে যায়। তুমুল লাঠিচার্জ করে পুলিশ। দাবি চাকরিহারা শিক্ষকদের। তাঁদের দাবি আপনাদের সন্তানদেরই তো পড়াই। আমাদের লাথি মারছেন! লাঠিচার্জের পরেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি বিধায়করা। তাঁরা লালবাজারের সামনে তুমুল বিক্ষোভ (BJP Protest) দেখাতে শুরু করেন। তাদের দাবি, পুলিশ নির্মমভাবে চাকরিহারা শিক্ষকদের উপর লাঠিচার্জ করেছে।
আরও পড়ুন: Waqf Law: ‘আমাদের সম্পত্তি কেড়ে নেওয়ার অধিকার কারও নেই’ ওয়াকফ সংশোধনী আইন নিয়ে সরব মুখ্যমন্ত্রী
বিজেপি বিধায়কদের আটক করার পরই লালবাজারে আসেন ময়নার বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দা। তিনি লালবাজারে প্রবেশের চেষ্টা করেন। কিন্তু দরজা বন্ধ থাকায় তিনি প্রবেশ করতে পারেননি। ময়নার বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দা বলেন, আমাদের সতীর্থরা অ্য়ারেস্ট হয়েছে ঢুকতে পারব না(BJP Protest)। কেন আমায় লালবাজারে ঢুকতে দিচ্ছেন না। বিজেপি বিধায়ক হিসাবে আমি ঢুকতে পারব না। আমি একা এসেছি। কেন আমি ঢুকতে পারব না। ডাকুন আপনাদের অফিসারদের। অশোক দিন্দা বলেন, প্রতিবাদ করলেই মার খাবে। এটা হল হিসাব। এটাই চলছে গোটা রাজ্যে। তিনি রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়াতে শুরু করেন।


