Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: বৃহস্পতিবার থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে রাজ্য বিজেপির দায়িত্বভার গেল শমীক ভট্টাচার্যের হাতে। এদিন সাইন্স সিটিতে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ সভাপতির শংসাপত্র তুলে দেন রাজ্যসভার এই সাংসদের হাতে।

ছাব্বিশের নির্বাচনের আগে বিরোধী দলনেতা ও রাজ্য সভাপতির মেলবন্ধন প্রয়োজন। আর সম্ভবত সেদিকেই নজর রেখে শমীককেই সভাপতি করা হয়েছে বলেই মনে করেন অনেকে (BJP)। কিন্তু এদিনের বক্তব্যে বিরোধী দলনেতা যখন হিন্দু ভোটকে সংগঠিত করার কড়া বার্তা দিলেন সেই মঞ্চ থেকেই সদ্য নির্বাচিত রাজ্য সভাপতি তাঁর বক্তব্যে তুলে আনলেন বাংলার বহুত্ববাদের তত্ত্ব।
শুভেন্দুর হিন্দুত্বের তত্ত্ব (BJP)
বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। এবার নির্বাচনে রাজ্য বিজেপি বা বলা ভালো শুভেন্দু অধিকারীর প্রধান টার্গেট হিন্দু ভোট। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী এই মুহুর্তে পদ্মশিবিরে যে শতাংশ হিন্দু ভোট আছে, সেখান থেকে ২-৩ শতাংশ বাড়াতে পারলেই এরাজ্যের ক্ষমতা দখল সম্ভব। সেই কারণে বিভিন্ন জেলায় বিভিন্ন সভায় দলীয় (BJP) কর্মসূচিতে হিন্দু ভোটকে নজরে রেখে কড়া বার্তা দিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। সদ্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি পরিবর্তন হয়েছে নতুন সভাপতি হিসেবে শমীক ভট্টাচার্য হওয়ার অন্যতম কারণ শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের রসায়ন যথেষ্ট ভালো।
আরও পড়ুন: BJP State President: পরবর্তী বিজেপি রাজ্য সভাপতি কে? ৩ জুলাই বঙ্গ-বিজেপির নতুন সভাপতি ঘোষণা
শুভেন্দু-শমীক দুই মেরুতে? (BJP)
কিন্তু বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে সভাপতি নির্বাচনের মঞ্চে বক্তব্যে দেখা গেল শুভেন্দু ও শমীক কার্যত ২ মেরুতে। অন্তত রাজনৈতিক মহলের একাংশের তেমনই মত (BJP)। মঞ্চ থেকেই শুভেন্দু অধিকারী যখন হিন্দু ভোটকে একজোট করতে কড়া বক্তব্য রাখছেন তখনই সেই মঞ্চেই সদ্য নির্বাচিত শমীক বলছেন বাংলার বহুত্ববাদের কথা, নজরুল-ওয়াজেদ আলির কথা।

অনেকেই মনে করেন এই মুহুর্তে শুভেন্দু অধিকারী বিজেপির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা। সভাপতি থাকাকালীন দিলীপ ঘোষ কিংবা সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে প্রকাশ্যে না হলেও ঠান্ডা লড়াই ছিল । সেদিক থেকে শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে তেমন আশঙ্কা অনেকেই করেন না। কিন্তু সদ্য নির্বাচিত সভাপতির মঞ্চ থেকে এদিন দুজনের বিপরীত-ধর্মী বক্তব্যের মধ্যে আগামী দিনের দ্বন্দ্বের বীজ বপন হল কি না তার উত্তর দেবে সময়ই।


