Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটাল: টানা রাতভর বৃষ্টিতে কার্যত ভেসে গিয়েছে (Nabanna Control Room) কলকাতা। সেপ্টেম্বরের শেষে এমন দুর্যোগের মুখে পড়ে দিশেহারা শহরবাসী। মেট্রো শহরের একাধিক রাস্তায় হাঁটু থেকে কোমরসমান জল জমে গিয়েছে। কোথাও কোথাও গৃহস্থ বাড়িতেও ঢুকে পড়েছে বৃষ্টির জল। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, মঙ্গলবার সকালেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম সাধারণ মানুষকে অপ্রয়োজনে বাড়ির বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দিয়েছেন।
শহরের স্বাভাবিক ছন্দ ব্যাহত (Nabanna Control Room)
প্রচণ্ড বৃষ্টির জেরে শহরের স্বাভাবিক (Nabanna Control Room) ছন্দ ব্যাহত। রাস্তার ওপর জলের দাপটে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে যান চলাচল। কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে আগেই জল জমার সম্ভাব্য জায়গাগুলি নিয়ে সতর্কতা জারি করা হলেও, শহরের বহু এলাকায় দেখা গিয়েছে ব্যাপক যানজট। কোথাও গাড়ির ইঞ্জিনে জল ঢুকে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আবার কোথাও বাস বা বাইক আটকে পড়ছে জলের মধ্যেই। শহরের অলিগলি তো বটেই, বেলেঘাটা মেনরোড, সিআর অ্যাভিনিউ, কলেজ স্ট্রিট, বি.টি. রোডের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাও কার্যত জলমগ্ন।

নবান্নে তৈরি বিশেষ কন্ট্রোল রুম (Nabanna Control Room)
এই পরিস্থিতিতে নবান্নে তৈরি হয়েছে বিশেষ (Nabanna Control Room) কন্ট্রোল রুম। কলকাতা ছাড়াও রাজ্যের অন্য প্রান্তে যারা এই দুর্যোগের কারণে সমস্যায় পড়েছেন, তারাও যোগাযোগ করতে পারবেন কন্ট্রোল রুমের সঙ্গে। সমস্যার কথা জানানো যাবে সরাসরি ফোন করে। চালু করা হয়েছে একাধিক নম্বর- (০৩৩) ২২১৪ ৩৫২৬ এবং (০৩৩) ২২৫৩ ৫১৮৫। পাশাপাশি দেওয়া হয়েছে দুটি টোল ফ্রি নম্বর: ৮৬৯৭৯৮১০৭০ এবং ১০৭০। রাজ্য সরকারের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের তত্ত্বাবধানে কাজ করছে এই কন্ট্রোল রুম।
নিচু এলাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ
বৃষ্টি একটু কমলেও, জল নামার গতি অত্যন্ত ধীর। বিশেষ করে কলকাতার নিচু এলাকায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। বহু বাড়িতে ইতিমধ্যেই ঢুকে পড়েছে জল। অনেক জায়গায় দেখা দিয়েছে খাবার জলের সমস্যা। জরুরি পরিষেবাও ব্যাহত হচ্ছে কিছু এলাকায়। নিকাশি ব্যবস্থা সচল করতে পুরসভার কর্মীরা জল পাম্পের মাধ্যমে কাজ চালালেও, তাতে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসছে না।
আরও পড়ুন: Katrina Kaif: গুঞ্জনে সিলমোহর, প্রকাশ্যে ক্যাটরিনার বেবিবাম্প
এই পরিস্থিতিতে প্রশাসন বলছে, আগামী ১০–১২ ঘণ্টা না কাটলে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরা কঠিন। তবে সব রকম সতর্কতা এবং প্রয়োজনীয় সাহায্য পৌঁছে দিতে তৈরি রাজ্য সরকার। শহরবাসীকেও অনুরোধ করা হয়েছে, প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বেরোতে এবং কোনও বিপদের মুখোমুখি হলে দ্রুত কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করতে।


