Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল : পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (POK)-এ চলমান অশান্তি ও সহিংসতার জন্য সরাসরি পাকিস্তানকেই দায়ী করল ভারত(POK Unrest)। নয়াদিল্লির মতে, ইসলামাবাদের দীর্ঘদিনের দমননীতি এবং সম্পদের পরিকল্পিত লুঠপাটই আজকের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির জন্য দায়ী। সাম্প্রতিক সহিংসতায় এ পর্যন্ত অন্তত ১২ জন নিহত এবং ১৫০-রও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন।
বিদেশ মন্ত্রকের কড়া ভাষায় নিন্দা (POK Unrest)
প্রতিবেশী অঞ্চলে এই অস্থিরতা নিয়ে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের (MEA) প্রথম প্রতিক্রিয়ায় মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান,
“আমরা পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রতিবাদ এবং পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতার খবর পেয়েছি(POK Unrest)। নিরপরাধ মানুষের উপর এই বর্বর আচরণ ইসলামাবাদের দমননীতি ও সম্পদ লুঠের স্বাভাবিক ফল।”
তিনি আরও বলেন, “পাকিস্তানের ভয়ঙ্কর মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায় এড়ানো যাবে না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত পাকিস্তানকে জবাবদিহি করানো।”
অবৈধ দখলের পুনরুল্লেখ(POK Unrest)
ভারত আবারও দাবি জানায়, পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর আসলে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ(POK Unrest)। বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্যে বলা হয়, “পিওকে পাকিস্তানের জোরপূর্বক ও অবৈধ দখলের শিকার। বহু বছর ধরে এই অবৈধ দখলদারি বজায় রাখা হয়েছে দমননীতি এবং ভয় দেখিয়ে। এরই ফলস্বরূপ মানুষ আজ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করছেন।”

আরও পড়ুন : Pok Protest : পাক অধিকৃত কাশ্মীরে টানটান অশান্তি, চতুর্থ দিনেও অব্যাহত অচলাবস্থা
দমননীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভ (POK Unrest)
পিওকে-তে সাম্প্রতিক অশান্তি গত কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম বড় ধরনের আন্দোলন(POK Unrest)। খাদ্য, বিদ্যুৎ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকটের পাশাপাশি প্রশাসনের অবহেলায় সাধারণ মানুষের ক্ষোভ চরমে পৌঁছেছে। পাকিস্তানি বাহিনী বিক্ষোভ দমন করতে গিয়ে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করেছে, যার জেরে প্রাণহানি ঘটেছে এবং শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পাকিস্তান বহু বছর ধরে পিওকের প্রাকৃতিক সম্পদ ও অর্থনৈতিক সুবিধা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করছে। অথচ সেখানকার সাধারণ মানুষ মৌলিক অধিকার থেকেও বঞ্চিত।
আন্তর্জাতিক মহলে ভারতের বার্তা
ভারতের কূটনৈতিক বার্তা শুধু প্রতিবেশী পাকিস্তানকেই নয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেও উদ্দেশ্য করে দেওয়া(POK Unrest)। নয়াদিল্লির মতে, পিওকে-তে যে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে তা বিশ্বজনীন আলোচনার বিষয় হওয়া উচিত।
রণধীর জয়সওয়ালের বক্তব্য অনুযায়ী, “আমরা বিশ্বাস করি, এটি পাকিস্তানের দমননীতি এবং সম্পদ লুঠের স্বাভাবিক পরিণতি। পাকিস্তানকে এই নৃশংস মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহি করতে হবে।”
ভারতের অবস্থান আরও দৃঢ়
ভারত বহুদিন ধরেই পিওকে-কে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে আসছে। বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাম্প্রতিক মে মাসের শত্রুতার পর ভারত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে যে ভবিষ্যতে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনার বিষয় একটাই – পিওকের প্রত্যাবর্তন।


