Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল : পাকিস্তানকে সরাসরি কড়া হুঁশিয়ারি দিলেন ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী(General Dwivedi Warns)। শুক্রবার রাজস্থানে এক অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানালেন, পাকিস্তান যদি রাষ্ট্রপৃষ্ঠপোষক সন্ত্রাসবাদ চালিয়ে যেতে থাকে, তবে তাদের ইতিহাস ও ভূগোল থেকেই অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যেতে পারে।
“আর কোনও সংযম নয়” (General Dwivedi Warns)
সেনাপ্রধান দ্বিবেদী বলেন, “পাকিস্তান যদি বিশ্ব ইতিহাস ও ভূগোলে টিকে থাকতে চায়, তবে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে(General Dwivedi Warns)। অপারেশন সিন্ধুর ১.০-র সময় আমরা সংযম দেখিয়েছিলাম, কিন্তু আর তা হবে না। আবারও উস্কানি পেলে আমরা এক ধাপ এগিয়ে আঘাত করব।”
তিনি আরও সতর্ক করে দেন, “এ বার যদি আঘাত করি, পাকিস্তানকে নতুন করে ভাবতে হবে, তারা আদৌ ইতিহাস ও ভূগোলে স্থান পাবে কি না।”
অপারেশন সিন্ধুর ১.০-এর স্মৃতি (General Dwivedi Warns)
গত ৭ মে ভারতীয় সেনা, নৌ ও বায়ুসেনা যৌথভাবে অপারেশন সিন্ধুর ১.০ চালায়(General Dwivedi Warns)। ওই অভিযানে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর (পিওকে) এবং পাকিস্তানের মূল ভূখণ্ডে সন্ত্রাসী ঘাঁটিতে আঘাত হানে ভারত। নিখুঁত এয়ার স্ট্রাইকে ধ্বংস হয় অন্তত ৯টি সন্ত্রাসী লঞ্চপ্যাড, নিহত হয় ১০০-রও বেশি জঙ্গি।
এই পদক্ষেপ ছিল ২২ এপ্রিল পাহালগামে সন্ত্রাসী হামলায় ২৬ জন সাধারণ মানুষের মৃত্যুর প্রত্যুত্তর।
অপারেশনের ধাক্কায় পাকিস্তান প্রচণ্ড চাপে পড়ে। পাল্টা পাকিস্তানি সেনা ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালালেও ভারতীয় বাহিনী কৌশলগত দক্ষতায় সেগুলি নস্যাৎ করে দেয়।

সেনাদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ (General Dwivedi Warns)
দ্বিবেদী সেনাদের উদ্দেশে (General Dwivedi Warns) বার্তা দিয়ে বলেন,
“সব সময় প্রস্তুত থাকুন। ঈশ্বর চাইলে খুব শীঘ্রই আপনারা আবারও সুযোগ পাবেন শক্তি প্রদর্শনের। জয় হিন্দ।”
এর ফলে সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে।
মে মাসের উত্তেজনা ও শান্তি ফেরার প্রেক্ষাপট
৭ মে-র পর শুরু হওয়া উত্তেজনা ১০ মে গিয়ে থামে। পাকিস্তানের ডিজিএমও ভারতীয় ডিজিএমও-র সঙ্গে যোগাযোগ করে যুদ্ধবিরতির আবেদন জানায়। ভারতও সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানায়।
যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, এই শান্তি তার মধ্যস্থতায় হয়েছে। কিন্তু ভারত জানায়, এ বিষয়ে কোনও তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছিল না।
আরও পড়ুন : POK Unrest : পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অশান্তির দায় পাকিস্তানের, কড়া ভাষায় নিন্দা ভারতের
প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের বার্তা(General Dwivedi Warns)
অপারেশনের পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী স্পষ্ট বলেন, “অপারেশন সিন্ধুর এখনও শেষ হয়নি। ভবিষ্যতে উস্কানি এলে আরও ভয়ঙ্কর উত্তর দেওয়া হবে।”
সেই বার্তার পরিপ্রেক্ষিতেই সেনাপ্রধান দ্বিবেদীর এই কড়া সতর্কবাণী আরও তাৎপর্যপূর্ণ।
বায়ুসেনা প্রধানের বড় প্রকাশ্য স্বীকারোক্তি
এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force) প্রধান এপি সিংহ এয়ার ফোর্স ডে-র অনুষ্ঠানে জানান, মে মাসের সংঘর্ষে পাকিস্তানের অন্তত ৮–১০টি যুদ্ধবিমান, যার মধ্যে আমেরিকার তৈরি F-16 ও চিনা JF-17 অন্তর্ভুক্ত, গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়(General Dwivedi Warns)।
তিনি বলেন, “তাদের দাবি আমাদের বিমান ধ্বংস হয়েছে—এসব শুধু ‘মনোহর কাহানিয়া’, পাকিস্তানের বানানো গল্প। আমাদের দীর্ঘতম আঘাত ছিল ৩০০ কিলোমিটার ভেতরে, যা এই বছরের সেরা সাফল্য।”
পাকিস্তানের দাবিকে খণ্ডন
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ দাবি করেছিলেন, তাদের বাহিনী সাতটি ভারতীয় বিমান ভূপাতিত করেছে।
কিন্তু ভারতের সেনা ও বায়ুসেনার পরপর কড়া বার্তায় সেই দাবি ভুয়ো প্রমাণিত হয়েছে।


