Last Updated on [modified_date_only] by Debu Das
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল : দুর্গা পূজার বিসর্জন ঘিরে দার্ঘা বাজার এলাকায় সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় নেমেছে কমিশনারেট পুলিশ(Cuttack Violence)। এখন পর্যন্ত ৮০ জনেরও বেশি ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। ঘটনাস্থলের ভিডিও, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট এবং ডিজিটাল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে অভিযুক্তদের সনাক্ত করতে আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করছে পুলিশ।
ভিডিও থেকে চিহ্নিত দুষ্কৃতী (Cuttack Violence)
তদন্তে জানা গেছে, দুষ্কৃতীরা বিসর্জনের সময় দোকানপাট ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং পুলিশের দিকে ইট-পাথর ছোড়ার মতো নাশকতামূলক কাজ করেছে(Cuttack Violence)। পুলিশের দাবি, ইনস্টাগ্রাম ও ফেসবুকের মতো সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া শতাধিক ভিডিওর মধ্যে কয়েকটি ভিডিওতেই ওইসব দুষ্কৃতীদের স্পষ্ট দেখা গিয়েছে।
এই ভিডিও ও অ্যাকাউন্টগুলির তথ্য বিশ্লেষণ করে যাঁরা ভিডিও পোস্ট বা শেয়ার করেছেন, তাঁদেরও চিহ্নিত করছে সাইবার টিম। ইতিমধ্যে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে কিছু ভিডিও সরানোর অনুরোধও জানিয়েছে পুলিশ।
তদন্তে সাইবার পুলিশ ও স্পেশাল স্কোয়াড সক্রিয়(Cuttack Violence)
সূত্রের খবর, ভিডিও ও ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে কয়েকজন অভিযুক্তকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে(Cuttack Violence)। এখন পর্যন্ত অন্তত ৮৩ জনকে বিভিন্ন থানায় আটক রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
তদন্তে সহযোগিতার জন্য সাইবার পুলিশ এবং বিশেষ স্কোয়াডও যুক্ত হয়েছে। তাঁরা ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দুষ্কৃতীদের পরিচয় ও অবস্থান নিশ্চিত করার কাজ করছে।

শহরের একাধিক থানায় মামলা(Cuttack Violence)
দার্ঘা বাজার থানার পাশাপাশি শহরের অন্যান্য থানাতেও একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে বলে জানা গেছে(Cuttack Violence)। পুলিশের অনুমান, মোট গ্রেফতারের সংখ্যা ২০ ছাড়িয়ে যেতে পারে।
এক পুলিশ আধিকারিক বলেন,
“ভিডিও ফুটেজ, সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট এবং সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আমরা ধাপে ধাপে অভিযুক্তদের শনাক্ত করছি। কেউ রেহাই পাবে না।”

আরও পড়ুন : Khawaja Asif On India : ভারতের সঙ্গে যুদ্ধের আশঙ্কা ‘বাস্তব’! বিতর্কিত মন্তব্য পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আসিফের
‘দোষীদের ছাড় দেওয়া হবে না’—সতর্কবার্তা পুলিশের(Cuttack Violence)
কমিশনারেট পুলিশ (Cuttack)স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, দুর্গা বিসর্জনের সময় যারা অশান্তি ও ভাঙচুরে যুক্ত ছিল, তাদের কাউকেই রেহাই দেওয়া হবে না(Cuttack Violence)। তদন্ত এখনও চলছে, এবং প্রাপ্ত সব প্রমাণের ভিত্তিতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
একইসঙ্গে প্রশাসন শহরবাসীর প্রতি আবেদন জানিয়েছে—ভুয়ো বা উত্তেজনামূলক ভিডিও বা পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে। পুলিশের লক্ষ্য, দুষ্কৃতীদের গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা ও ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধ করা।


