Last Updated on [modified_date_only] by
ট্রাইব টিভি বাংলা ডিজিটল: মাদকের সাম্রাজ্যে সমুদ্র মন্থন! হানা দিয়ে বাজেয়াপ্ত কয়েক হাজার কোটি টাকার ড্রাগস (Drugs)। হানা লর্ডস অফ ড্রাগসে। জানা গিয়েছে, বিরাট মাদকচক্রকে সমূলে উপড়ে দিতে দিল্লি থেকে শুরু হয়েছে ‘সমুদ্র মন্থন’ অভিযান। এ বার তারই মাদক সাম্রাজ্যে হানা দিল নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি) বা দেশের মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থা। আর এই ‘লর্ড অফ ড্রাগস’ হলেন হাজি সেলিম ওরফে হাজি বালোচ। বিশ্ব জুড়ে তাঁর মাদকের জাল বিস্তৃত।
সূত্রের খবর, হাজি সেলিমকে ধরতে এবং তাঁর সাম্রাজ্য ভেঙে দিতে ‘অপারেশন সাগর মন্থন’ শুরু করেছে এনসিবি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) নির্দেশের পরই হাজি সেলিমকে ধরতে জোরদার অভিযান শুরু হয়েছে। এই অভিযান চালাতে গিয়ে গুজরাতের পোরবন্দর থেকে শনিবার ২০০০ কোটি টাকার মাদক বাজেয়াপ্ত করেছে এনসিবি। তদন্তকারীদের সন্দেহ, পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের মদতে এই বিপুল পরিমাণ মাদক ভারতে পাঠানো হয়েছে। এটাও সন্দেহ করা হচ্ছে যে, পাকিস্তানের ড্রাগ মাফিয়া হাজি সেলিমেরও হাত থাকতে পারে এই ঘটনায়।
এই বিষয়ে এনসিবির ডেপুটি ডিরেক্টর জ্ঞানেশ্বর সিং বলেন, ”এই হাজি সেলিম বিশ্বের সবচেয়ে বড় মাদক কারবারিদের মধ্যে অন্যতম। এশিয়া, আফ্রিয়া ও ইউরোপজুড়ে এর জাল বিস্তৃত। এর বিশাল নেটওয়ার্ক চমকে দেওয়ার মতো। বিগত কয়েক বছর ধরে এনসিবি ও পুলিশের নজরে রয়েছে এই ড্রাগ মাফিয়া।
আরও পড়ুন:https://ktvbangla.com/mystery-death-of-vice-chairman-satyajit-banerjee/
এশিয়াতে ভারত-সহ শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ ও আরও নানা দেশে এর সিন্ডিকেট ছড়িয়ে রয়েছে। আমেরিকা, মালয়েশিয়া, ইরান, শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তানের মতো দেশের মোস্ট ওয়ান্টেড তালিকায় রয়েছে এই ব্যক্তি। ভারত মহাসাগর থেকে যত মাদকের কারবার চলে তার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হাজি।”
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে ভারতীয় তদন্তকারীদের কাছে প্রথম প্রকাশ্যে আসে বিষয়টি। সেই বছরই বিপুল পরিমাণ মাদক বাজেয়াপ্ত করা হয় কেরলের উপকূলে। এর পর গত আড়াই বছরে ৪০ হাজার কোটির মাদক উদ্ধার করে এনসিবি। আর এবার দেশ থেকে মাদক নির্মূল করতে আসরে নেমেছে নার্কোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো।


