Last Updated on [modified_date_only] by Aditi Singha
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দিনভর কাজের চাপ, মানসিক ক্লান্তি, স্ট্রেস সব মিলিয়ে রাতের ঘুমই যেন একমাত্র ভরসা (Sleeping Cycle)। অনেকেই ভাবেন, ঠিকঠাক আট ঘণ্টা ঘুম হলেই শরীর-মন চাঙ্গা হয়ে উঠবে। কিন্তু সকালে উঠে দেখা যায়, শরীর ভারী, মন অবসন্ন। কেন এমন হয় জানেন?
ঘুমের পরিমাণ নয়, গুণমানই আসল (Sleeping Cycle)
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘুমের পরিমাণ নয় বরং ঘুমের গুণমানই মূল বিষয়। আপনি যতই ঘুমান না কেন, যদি সেই ঘুম গভীর ও নিরবচ্ছিন্ন না হয়, শরীর পূর্ণ বিশ্রাম পায় না। ফলে সকালে ক্লান্তি থেকেই যায়।

ঘুমের গুণমান নষ্ট হওয়ার কারণ (Sleeping Cycle)
১. ঘুমের ব্যাঘাত:
রাতে বারবার জেগে ওঠা ঘুমচক্রকে (sleep cycle) নষ্ট করে দেয়। ফলে গভীর ঘুমে পৌঁছনো যায় না।
২. স্লিপ অ্যাপনিয়া:
এই সমস্যায় ঘুমের সময় কিছুক্ষণের জন্য শ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে ঘুম হালকা হয়, সকালে মাথাব্যথা ও অবসাদ দেখা দেয়।

৩. ক্যাফেইনের অতিরিক্ততা: (Sleeping Cycle)
বিকেল বা রাতে বেশি চা, কফি বা এনার্জি ড্রিঙ্ক খেলে শরীর সক্রিয় থেকে যায়, ঘুম আসতে দেরি হয়।
৪. অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম:
মোবাইল বা টিভির নীল আলো মস্তিষ্কে মেলাটোনিন হরমোনের উৎপাদন কমিয়ে দেয়, যা ঘুম আসার পথে বাধা সৃষ্টি করে।
৫. অনিয়মিত ঘুমের সময়সূচি:
প্রতিদিন ভিন্ন সময়ে শোওয়া-ওঠা শরীরের অভ্যন্তরীণ ঘড়িকে বিভ্রান্ত করে, ফলে ঘুমের গতি নষ্ট হয়।
ভাল ঘুমের জন্য কী করবেন? (Sleeping Cycle)
প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যান এবং একই সময়ে উঠুন।
স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন
ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে মোবাইল, ট্যাব, টিভি ইত্যাদি বন্ধ রাখুন।
শান্ত পরিবেশ তৈরি করুন
ঘুমের ঘর যেন ঠান্ডা, অন্ধকার ও শব্দহীন হয়। প্রয়োজনে হালকা আলো ব্যবহার করুন।
হালকা খাবার খান
ঘুমের আগে ভারী বা তেল-ঝাল খাবার খেলে হজমে সমস্যা হয়, ফলে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে।
ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল এড়ান
বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে এই ধরনের পানীয় এড়িয়ে চলুন।
মন শান্ত রাখুন
রাতে ঘুমানোর আগে বই পড়া, মেডিটেশন বা হালকা স্ট্রেচিং করলে মস্তিষ্ক শান্ত হয়, ঘুম গভীর হয়।
আরও পড়ুন: Debaparna: কাজ থেকে হঠাৎ ডুব, এবার নতুন রূপে ফিরছেন সবার প্রিয় ‘ অনু ‘!
পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন কবে? (Sleeping Cycle)
যদি নিয়ম মেনে চলার পরও প্রতিদিন সকালে ক্লান্তি অনুভব করেন, অথবা আপনার সঙ্গী লক্ষ্য করেন যে ঘুমের সময় আপনি জোরে নাক ডাকেন বা শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় তাহলে দেরি না করে চিকিৎসক বা ঘুম বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।



