Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজের উপর নতুন টোল ও অনুমতি ব্যবস্থা চালু করেছে(Hormuz Toll)। যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের সঙ্গে চলমান সংঘাতের মধ্যে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ কার্যত নিয়ন্ত্রণে নেয় তেহরান। বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও বিপুল সমুদ্রবাণিজ্য এই প্রণালী দিয়েই হয়।
কী নতুন নিয়ম? (Hormuz Toll)
রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরান “Persian Gulf Strait Authority (PGSA)” নামে নতুন একটি সংস্থা গঠন করেছে। এই সংস্থা হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়া জাহাজগুলিকে ট্রানজিট অনুমতি দেবে এবং টোল সংগ্রহ করবে।
জাহাজগুলিকে আগে থেকেই মালিকানা, বিমা, ক্রু, পণ্য ও রুট সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জমা দিতে হবে। এরপর ইমেলের মাধ্যমে পরবর্তী নির্দেশ পাঠানো হবে। ভুল বা অসম্পূর্ণ তথ্য দিলে জাহাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
কীভাবে কাজ করবে এই ব্যবস্থা?
জাহাজগুলিকে:
PGSA-র অনুমতি নিতে হবে
কার্গোর বিস্তারিত জানাতে হবে
নির্ধারিত ফি দিতে হবে
রয়টার্স জানিয়েছে, ইরান ৫ মে থেকে এই নতুন নজরদারি ব্যবস্থা কার্যকর করেছে। যদিও তেহরান একে “ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট” বলছে।
ভারতের কি টোল দিতে হবে? (Hormuz Toll)
এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ভারত, চীন, পাকিস্তান ও রাশিয়ার মতো ইরান-ঘনিষ্ঠ দেশগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হতে পারে বলে খবর। ফলে ভারতের জাহাজ কিছু সুবিধা পেতে পারে। তবে রিপোর্টে দাবি, কিছু জাহাজ ইতিমধ্যেই কয়েক মিলিয়ন ডলার দিয়ে অনুমতি নিয়েছে। একটি অপারেটর প্রায় ২০ কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ দিয়েছে বলেও জানা গেছে।
আরও পড়ুন: CS Manoj: নির্বাচন সামলানোর পর এবার রাজ্যের গুরুদায়িত্ব: নয়া মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া (Hormuz Toll)
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক আইন UNCLOS-এর বিরোধী হতে পারে। তবে বাস্তবে এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা কঠিন। ইরান স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে দেশগুলি মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মেনে চলবে, তাদের হরমুজ পারাপারে সমস্যার মুখে পড়তে হতে পারে।



