Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতীয় ক্রিকেটের আগামী (Tilak Varma) দিনের বড় তারকা হিসেবে তিলক বর্মার নাম সবার মুখে মুখে। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে আইপিএল এবং এবার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি পর্যন্ত তিলক নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সদ্য শেষ হওয়া এশিয়া কাপ জেতায় তাঁর অবদান অনেকাংশেই চোখে পড়ার মতো। কিন্তু তার এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে এক ভয়ঙ্কর অধ্যায়, যা নিজে তিলক সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন।
র্যাবডোমায়োলাইসিস রোগে আক্রান্ত (Tilak Varma)
সম্প্রতি “ব্রেকফাস্ট অফ চ্যাম্পিয়ন্স” অনুষ্ঠানে তিলক বর্মা জানিয়েছেন, তাঁর জীবনের (Tilak Varma) সবচেয়ে ভয়ঙ্কর সময়গুলোর মধ্যে একটি হয়েছিল প্রথম আইপিএলের পর। তিনি বলেন, “আমি সবসময় ফিট থাকতে চেয়েছি। তাই অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ করতাম। কিন্তু সেটাই আমার জন্য বিপদ ডেকে আনে। আমি র্যাবডোমায়োলাইসিস রোগে আক্রান্ত হই, যার ফলে আমার পেশি নষ্ট হতে থাকে। আমার নার্ভগুলো কাজ করা বন্ধ করে দেয়।”
পর্যাপ্ত রিকভারি না করাতেই বিপত্তি (Tilak Varma)
তিলক বর্মা জানালেন, প্রথম আইপিএলে ভালো পারফর্ম করার (Tilak Varma) পরই তিনি জাতীয় দলের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলেন। সেই কারণে ঘরোয়া ক্রিকেট এবং এ সিরিজে নিজের ফোকাস বাড়িয়েছিলেন। “আমি রেস্টের দিনেও জিমে যেতাম। প্রতিদিন আইস বাথ নিতাম, কিন্তু পর্যাপ্ত রিকভারি দিতাম না। আমি চাইছিলাম সবচেয়ে ফিট এবং সেরা ফিল্ডার হতে,” তিলক বলেন। তবে এই অতিরিক্ত চেষ্টা তাঁকে বিপদে ফেলেছিল।
পাশে ছিলেন আকাশ আম্বানি
একটি ম্যাচের সময়, যেখানে তিনি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এ সিরিজ খেলছিলেন, আচমকা চোখে জল আসা এবং আঙুল অসাড় হয়ে যাওয়ায় তাঁকে মাঠ ছাড়তে হয়। তিলক জানান, “আমি রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে বের হয়ে যাই। গ্লাভস কেটে হাত বের করতে হয়েছে। হাসপাতালে ভর্তি না হলে, মৃত্যুর ঝুঁকি ছিল।” এই সময়ে পাশে ছিলেন তাঁর আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের কর্ণধার আকাশ আম্বানি। আম্বানি সঙ্গে সঙ্গে BCCI সচিব জয় শাহের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, যাতে চিকিৎসা দ্রুত হয়।

আরও পড়ুন: SIR: রাজ্যে বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা শুরুর আগে জোর প্রস্তুতি, প্রতিটি জেলায় হেল্প ডেস্ক
অসুস্থতার কারণে কিছু সময়ের জন্য মাঠ থেকে দূরে থাকা তিলক ২০২৩ সালে ফেরেন এবং আবার নিজের খেলার মানে প্রমাণ করেন। ২০২৩ সালে জাতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পর থেকে তিনি চারটি ODI এবং ৩২টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন। তিলক বর্মার গল্প প্রমাণ করে, ক্রিকেটে প্রতিভা কেবলই যথেষ্ট নয়; ধৈর্য, আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং স্বাস্থ্য সচেতনতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা তিনি নিজে দেখিয়েছেন।


