Last Updated on [modified_date_only] by Suparna Ghosh
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: এবারে আনন্দে ছায়া ফেলেছে আবহাওয়ার(Weather Update)অনিশ্চয়তা। আজ জগদ্ধাত্রী পুজো। আলোর রোশনায়ে সেজে উঠেছে চন্দননগর। বছরের এই সময়টা যেন শহরের প্রাণ। নদীর ধারে, অলিগলিতে, আলো-সাজে ভরে গেছে গোটা চন্দননগর। ছোট-বড় মিলিয়ে শতাধিক পুজোমণ্ডপে উপচে পড়ছে ভিড়। প্রতি বছরই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে ভক্ত ও দর্শনার্থীরা আসেন জগদ্ধাত্রীর শহর দেখতে। আর সেই আনন্দেই এবার পড়তে পারে ছেদ ।
হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, অন্ধ্র উপকূলে আছড়ে পড়া ঘূর্ণিঝড় ‘মন্থা’-র পরোক্ষ প্রভাব পড়েছে বাংলায়। মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। কোথাও মাঝারি, কোথাও আবার ভারী বৃষ্টিতে ভিজেছে শহর ও গ্রামাঞ্চল। এমনকি ঝড়বৃষ্টির দাপটে চন্দননগরের একটি বড় মূর্তি ভূপতিত হয়েছে বলেও জানা গেছে।
বৃহস্পতি-শুক্র দিনই বৃষ্টির আশঙ্কা(Weather Update)
আলিপুর আবহাওয়া(Weather Update) দফতর সূত্রে খবর, জগদ্ধাত্রী পুজো এবং ভাসান—দু’দিনই বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বৃহস্পতি ও শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের বেশ কিছু জেলায় ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদে আজ তুমুল বৃষ্টি হতে পারে। পাশাপাশি কলকাতা ও সংলগ্ন শহরতলিতেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা।

মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার নিষেধাজ্ঞা(Weather Update)
মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যাওয়ার ওপর বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা জারি থাকছে। উপকূলবর্তী জেলা যেমন পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা। বাতাসে দমকা হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে বলে পূর্বাভাস।
বাড়বে বৃষ্টি উত্তরবঙ্গে(Weather Update)
শুধু দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির প্রভাব পড়তে পারে বেশ জোরালোভাবে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়িতে বৃহস্পতিবার অতি ভারী বৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা। আবহবিদরা জানাচ্ছেন, কিছু জায়গায় ২০০ মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হতে পারে। শুক্রবারও এই সবকটি জেলায় ঝোড়ো হাওয়া-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: Kolkata Metro Rail: স্মার্ট কার্ডেও গেট না খুললে, নতুন প্রযুক্তিই কি ভরসা?
শনিবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতির ইঙ্গিত
হাওয়া অফিসের অনুমান, শনিবার থেকে ধীরে ধীরে কমতে পারে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ। রবিবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতির সম্ভাবনা। ততদিন পর্যন্ত ছাতা ও রেইনকোটই চন্দননগরের দর্শনার্থীদের সঙ্গী হতে চলেছে।
আরও পড়ুন: Mantha Effect: বঙ্গজুড়ে মন্থার তাণ্ডব, আর কতদিন বৃষ্টি?


