Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
\কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের (Pakistan vs Afghanistan) মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও একবার রক্তক্ষয়ের রূপ নিল। খাইবার পাখতুনখোয়ার খুররম জেলায় সন্ত্রাস বিরোধী অভিযানে প্রাণ হারালেন পাকিস্তান সেনার এক ক্যাপ্টেনসহ মোট ছয় সেনাকর্মী। সেনার দাবি, অভিযানে সাত জঙ্গিকেও হত্যা করা হয়েছে। দুই দেশের সীমান্তে ক্রমবর্ধমান সংঘর্ষের আবহে এই ঘটনা নতুন করে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
সূত্রের খবর…(Pakistan vs Afghanistan)
বুধবার পাকিস্তান সেনার জনসংযোগ দফতর (Pakistan vs Afghanistan) এক বিবৃতিতে জানায়, খুররম জেলার দোগর এলাকায় গোপন অভিযানে নামে সেনা। সূত্রের খবর ছিল, সেখানে ফিতনা আল-খাওয়ারিজ গোষ্ঠীর সদস্যরা লুকিয়ে রয়েছে-যারা নিষিদ্ধ সংগঠন তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (TTP)-এরই একটি শাখা। সেনা পৌঁছনোর পরই জঙ্গিদের সঙ্গে গুলিবিনিময় শুরু হয়। দীর্ঘক্ষণ চলা সেই সংঘর্ষে সাত জঙ্গি নিহত হলেও পাক বাহিনীর ছয় সদস্যও শহিদ হন।
নিহত সেনা ক্যাপ্টেন (Pakistan vs Afghanistan)
নিহত সেনা ক্যাপ্টেনের নাম নোমান সেলিম, বয়স মাত্র ২৪ (Pakistan vs Afghanistan) । মেডিক্যাল অফিসার হিসেবে সেনায় কর্মরত ছিলেন তিনি। পাকিস্তানের মিয়াঁওয়ালি জেলার বাসিন্দা সেলিমকে দেশজুড়ে সম্মান জানানো হচ্ছে তাঁর বীরত্বের জন্য। সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “অত্যন্ত সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে শহিদ হয়েছেন ক্যাপ্টেন নোমান সেলিম এবং তাঁর সহযোদ্ধারা।” নিহত অন্য পাঁচ সেনার মধ্যে রয়েছেন-হাবিলদার আমজাদ আলি (সোয়াবি), নাইক ওয়াকাস আহমেদ (রাওয়ালপিণ্ডি), সেপাই এজাজ আলি (শিকারপুর), সেপাই মহম্মদ ওয়ালিদ (ঝিলম) এবং সেপাই মহম্মদ শাহবাজ (খৈরপুর)।

তল্লাশি অভিযান অব্যাহত
অভিযানের পরও এলাকায় তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সেনা কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, সীমান্ত ঘেঁষা দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় আরও জঙ্গি লুকিয়ে থাকতে পারে। পাকিস্তানের দাবি, আফগানিস্তান সীমান্ত পেরিয়ে প্রায়শই জঙ্গিরা দেশে প্রবেশ করে হামলা চালায়। বিশেষত খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চল দীর্ঘদিন ধরেই এমন অনুপ্রবেশ ও সংঘর্ষের সাক্ষী।
আরও পড়ুন: WB SIR: SIR নিয়ে বিভ্রান্তি! চালু হেল্পলাইন পরিষেবা
নাশকতার শিকার
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম Dawn জানিয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়া ও বালুচিস্তান-এই দুই প্রদেশেই সাম্প্রতিক সময়ে সন্ত্রাসী হামলার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২২ সালে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান শান্তিচুক্তি ভঙ্গ করার পর থেকেই পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়। চলতি বছরেই শুধু খাইবার পাখতুনখোয়াতেই প্রায় ৩০০ সাধারণ নাগরিক নাশকতার শিকার হয়েছেন। পাশাপাশি, বালুচিস্তানেও বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলির হাতে সেনা ও বেসামরিক মানুষ মারা যাচ্ছেন প্রায় নিয়মিতই।


