Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: দেশের স্কুলশিক্ষা ব্যবস্থার বাস্তব চিত্র সামনে আনল নীতি আয়োগের নতুন রিপোর্ট “School Education System in India”। রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, এখনও হাজার হাজার সরকারি স্কুলে নেই পানীয় জল, কার্যকর টয়লেট, বিদ্যুৎ বা বিজ্ঞান ল্যাব। বহু স্কুলে শিক্ষক সংকট চরমে, আবার কিছু স্কুলে ছাত্রই নেই(School Crisis)।
নেই রাজ্যের স্কুল (School Crisis)
রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে ৯৮,৫৯২টি স্কুলে কার্যকর মেয়েদের টয়লেট নেই। এর মধ্যে ৬১,৫৪০টি স্কুলে কোনও ব্যবহারযোগ্য টয়লেটই নেই। প্রায় ১৪,৫০৫টি স্কুলে পানীয় জলের ব্যবস্থা নেই এবং ৫৯,৮২৯টি স্কুলে হাত ধোয়ার সুবিধাও অনুপস্থিত। যদিও গত এক দশকে স্কুলে বিদ্যুতের সংযোগ ৫৫ শতাংশ থেকে ৯১.৯ শতাংশে পৌঁছেছে, তবু এখনও ১.১৯ লক্ষ স্কুল বিদ্যুৎবিহীন।
ভয়াবহ শিক্ষক সংকট
শিক্ষক সংকটও ভয়াবহ। দেশে ১,০৪,১২৫টি স্কুল মাত্র একজন শিক্ষক দিয়ে চলছে, যার ৮৯ শতাংশ গ্রামীণ এলাকায়। প্রাথমিক স্তরে সবচেয়ে বেশি শিক্ষক শূন্যপদ রয়েছে বিহার, ঝাড়খণ্ড ও মধ্যপ্রদেশে। ঝাড়খণ্ডে সরকারি মাধ্যমিক স্কুলে ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত ৪৭:১, যা আদর্শ মানের অনেক উপরে।
দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন (School Crisis)
শিক্ষকদের দক্ষতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। গণিতে মাত্র ২ শতাংশ শিক্ষক ৭০ শতাংশের বেশি নম্বর পেয়েছেন। গড় নম্বর ৪৬ শতাংশ। এছাড়া শিক্ষকরা গড়ে ১৪ শতাংশ কর্মদিবস নির্বাচন, সমীক্ষা ও প্রশাসনিক কাজে ব্যয় করেন।
আরও পড়ুন: Visva Bharati: ঝালমুড়ি হাতে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান, মুচলেকা চাইল কলেজ কর্তৃপক্ষ
স্কুলে পড়ুয়া সঙ্কট (School Crisis)
রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, দেশে ৭,৯৯৩টি স্কুলে কোনও ছাত্রছাত্রী নেই। পশ্চিমবঙ্গে এমন “ঘোস্ট স্কুল”-এর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৩,৮১২টি। মাধ্যমিক স্তরে স্কুলছুটের হারও উদ্বেগজনক। জাতীয় গড় ১১.৫ শতাংশ হলেও পশ্চিমবঙ্গে তা ২০ শতাংশ। নীতি আয়োগ জানিয়েছে, ভারত শিক্ষায় জিডিপির মাত্র ৪.৬ শতাংশ ব্যয় করে, যা বহু উন্নত দেশের তুলনায় কম।



