Last Updated on [modified_date_only] by Sumana Bera
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে এক বিশাল আন্তর্জাতিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) সম্মেলন। জানা গিয়েছে, আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসের ১৯ থেকে ২০ তারিখ এই সম্মেলন আয়োজিত হওয়ার সম্ভাবনা। জি২০ সম্মেলনের পর এটি হবে ভারতে বিশ্বনেতাদের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমাবেশ। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে আয়োজিত এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করবে প্রায় ১২০টি দেশ।
প্রধানমন্ত্রীর ভাবনা
ফ্রান্সের AI অ্যাকশন সামিট থেকেই ভারতের এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনের ভাবনা শুরু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী AI (Artificial Intelligence) সহযোগিতা এবং এর বাস্তব প্রভাব নিয়ে আলোচনাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায় ভারত। এই ‘AI ইমপ্যাক্ট সামিট’-এ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাকরঁ এবং কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির মতো বিশ্বনেতারা ভারতের এই সম্মেলনে যোগ দিতে পারেন বলে জানা যাচ্ছে। এছাড়াও মোট ৩৫টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানানো হবে বলেও খবর। তার মধ্যে অন্তত ২০ জন রাষ্ট্রপ্রধান এই সম্মেলনে যোগ দিতে পারেন বলে আশা করা যাচ্ছে।
আরও পড়ুন:Indias Richest Cities 2025: দেশের সবথেকে ধনী জেলা কোনটি?
কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, এই সম্মেলনের থিম ও বিষয়বস্তু প্রধানমন্ত্রীর সেই দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, যেখানে প্রযুক্তিকে সমাজের সকল স্তরের সেবায় ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, AI শুধুমাত্র উন্নত অর্থনীতির জন্য নয়, বরং স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি, শিক্ষা এবং পরিবেশের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলিতে বাস্তব প্রভাব ফেলবে।
সম্মেলনের মূল লক্ষ্য
সূত্রের খবর, এই শীর্ষ সম্মেলনটি ইউকে, সিওল এবং প্যারিসের AI (Artificial Intelligence) সম্মেলনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে একটি কৌশলগত পরিবর্তন আনবে। এর মূল লক্ষ্য হবে—উচ্চ-রাজনৈতিক বিবৃতি থেকে সরে এসে বৈশ্বিক AI সহযোগিতায় পরিমাপযোগ্য প্রভাব (Measurable Impact) এবং সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি অর্জন করা। সম্মেলনের মাধ্যমে ভারত চায়, উন্নয়নশীল দেশ বা গ্লোবাল সাউথের কণ্ঠস্বর যেন AI-এর ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
আরও পড়ুন:IAF Chief: বায়ুসেনা প্রধানের বার্তা: যুদ্ধ থামাতে অপারেশন সিঁদুরের কাছে শিক্ষা নিক বিশ্ব
এই দুই দিনের ইভেন্টটি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের, নীতি নির্ধারকদের, শিল্প নেতাদের এবং গবেষকদের একত্রিত করবে, যাতে AI-কে (Artificial Intelligence) দায়িত্বশীলভাবে, নৈতিকতার সঙ্গে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলকভাবে ব্যবহার করার জন্য একটি যৌথ রোডম্যাপ তৈরি করা যায়।


