Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: অযোধ্যার রাম জন্মভূমি মন্দির আবারও (Ram Mandir Ayodhya) এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী হল। রাম ও সীতার বিবাহতিথিকে প্রতীকী করে ‘বিবাহ পঞ্চমী’র শুভক্ষণে মন্দিরের চূড়ায় উড়ল গৈরিক পতাকা। রাম মন্দিরের ১৯১ ফুট উঁচু শিখরে এই ধ্বজ উত্তোলন অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করলেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতের উপস্থিতিতে বহু প্রতীক্ষিত এই আচার সম্পন্ন হয়।
মন্দিরে বিশেষ ধ্বজা উত্তোলন (Ram Mandir Ayodhya)
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রামলালার (Ram Mandir Ayodhya) গর্ভগৃহ অভিষেকের মাধ্যমে মন্দির উদ্বোধন করেছিলেন। সেই স্মরণীয় অনুষ্ঠানে শঙ্খধ্বনি, ঘণ্টার সুরে মুখরিত হয়ে উঠেছিল অযোধ্যা। এবার নভেম্বর মাসের মঙ্গলবারে আবারও রাম মন্দিরে বিশেষ ধ্বজা উত্তোলনে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী। দিনের শুরুতে তিনি শহরজুড়ে একটি রোড শো করেন এবং পরে সপ্তমন্দির ও শেষাবতার মন্দিরে প্রার্থনা করেন।
অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি (Ram Mandir Ayodhya)
এই বিশাল আয়োজনকে কেন্দ্র করে অযোধ্যায় আমন্ত্রিত হয় উত্তর (Ram Mandir Ayodhya) প্রদেশের নানা প্রান্তের প্রায় ছ’ থেকে সাত হাজার অতিথি। পুরো আচার পরিচালনা করেন কাশীর বিদ্বান গণেশ্বর শাস্ত্রী। তাঁর নির্দেশনায় অযোধ্যা, কাশী এবং দক্ষিণ ভারতের মোট ১০৮ জন আচার্য এই অনুষ্ঠানকে শুভকর করে তুলেছেন। রামলালার অভিষেকের পরও বহু আচারিক কাজ অসমাপ্ত ছিল; ধ্বজা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে সেই অধ্যায়ের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটল। আগামীকাল সরযূ নদীর ঘাটে বিশেষ আরতি করারও পরিকল্পনা রয়েছে।

পতাকার বৈশিষ্ট্য
মন্দিরের ১৬১ ফুট উচ্চতার মূল কাঠামোর উপর বিশেষভাবে স্থাপন করা হয়েছে ৪২ ফুটের ধ্বজ দণ্ড। তার শীর্ষে সংস্থাপিত পতাকাটি ২২ ফুট লম্বা এবং ১১ ফুট চওড়া। পতাকার নকশায় রয়েছে কাঞ্চন ফুল গাছের চিত্র, ওঙ্কার প্রতীক এবং সূর্যমণ্ডলের প্রতিকৃতি। মন্দিরপ্রাঙ্গণে সাজানো হয়েছে বহু ফুল দিয়ে, যার উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে কলকাতা থেকে-এটি এই আচারকে আরও বিশেষ তাৎপর্য দিয়েছে।
আরও পড়ুন: Benjamin Netanyahu: নিরাপত্তা আশঙ্কায় স্থগিত নেতানিয়াহুর ভারত সফর, নতুন তারিখ কবে?
বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা
এত বড় অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিপুল সংখ্যক ভক্ত ও পর্যটক। ফলে অযোধ্যার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এসেছে অতিরিক্ত সতর্কতা। প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ব্যারিকেড, যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণ এবং আকাশ পথে নজরদারি-সবই এবার আগের তুলনায় আরও জোরদার। কয়েক সপ্তাহ আগে দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে বহু প্রাণহানি ঘটেছিল। সেই ঘটনার পর নিরাপত্তা সংস্থাগুলি বাড়তি সতর্কতা জারি করেছে।


