Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: শীতকালীন অধিবেশন ঘিরে রাজ্যের (Partha Chatterjee) রাজনৈতিক অঙ্গনে ফের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। দীর্ঘ কারাবাসের পর তাঁর সম্ভাব্য বিধানসভা ভবনে প্রত্যাবর্তন নিয়ে জোর জল্পনা চলছিলই। সেই প্রেক্ষিতেই বুধবার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, পার্থ আর মন্ত্রী নন, ফলে তাঁর জন্য কোনও পৃথক দফতর বা বিশেষ কক্ষ বরাদ্দ হবে না। সাধারণ বিধায়কদের জন্য যে নিয়মগুলি প্রযোজ্য, তিনিও ঠিক সেই নিয়মের মধ্যেই পড়বেন।
আলাদা মর্যাদা দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই (Partha Chatterjee)
সংবিধান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানের শেষে সংবাদমাধ্যমের (Partha Chatterjee) মুখোমুখি হয়ে স্পিকার বলেন, ‘‘তিনি এখন কেবলই একজন সাধারণ সদস্য। মন্ত্রিত্ব চলে যাওয়ায় তাঁর বিশেষ সুবিধার প্রশ্ন ওঠে না। বিধানসভায় যে নিয়মে বাকিরা বসেন, তাকেও সেই নিয়ম মানতে হবে।’’ স্পিকারের এই মন্তব্যে পরিষ্কার, পার্থ ফিরে এলে তাঁকে আলাদা মর্যাদা দেওয়ার কোনও প্রশ্নই নেই।
তিন মাসেরও বেশি সময় কারাগারে কাটানোর পর সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছেন পার্থ (Partha Chatterjee)
উল্লেখ্য, প্রায় তিন বছর তিন মাসেরও বেশি সময় কারাগারে কাটানোর (Partha Chatterjee) পর সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছেন পার্থ। ২০২২ সালের জুলাই মাসে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি তাঁকে গ্রেফতার করেছিল। গ্রেফতারের পরই তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের মহাসচিব পদ হারান এবং দল থেকে ছয় বছরের জন্য সাসপেন্ড হন। পাশাপাশি শিল্পমন্ত্রীর দায়িত্ব থেকেও তাঁকে অপসারণ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সে নিয়েও সংশয়
জেল থেকে বাইরে আসার পরই পার্থ দুই দিকেই বার্তা পাঠান-একদিকে দলনেত্রীকে চিঠি লিখে জানতে চান, দলীয় সংবিধানের কোন ধারায় তাঁকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অন্যদিকে, বেহালা পশ্চিমের ভোটারদের উদ্দেশে একটি খোলা চিঠিতে জানান, তাঁরা তাঁর পাশে থাকায় তিনি কৃতজ্ঞ। তবে এসব ঘটনার মাঝেই এখনও পর্যন্ত বিধানসভা সচিবালয়কে তাঁর জেলমুক্তির খবর আনুষ্ঠানিক ভাবে জানানো হয়নি। ফলে অধিবেশনে তিনি আদৌ অংশ নেবেন কি না, সে নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: TET: ২০২২-র টেট উত্তীর্ণদের বয়স ছাড়ের আবেদন খারিজ করল কলকাতা হাইকোর্ট
অন্যদিকে, বিচারালয় পার্থের জামিন শর্ত আরও কঠোর করেছে-প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ মামলায় তাঁকে শারীরিক ভাবে হাজিরা দিতে হবে, না হলে জামিন খারিজ হতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন বিচারক। এতে রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে রাজনীতির অন্দরমহলে তাই এখন প্রশ্ন, এই অবস্থায় পার্থ কি অধিবেশনে হাজির হবেন? আর যদি হাজিরা দেনও, তা শাসক দলের সঙ্গে তাঁর ভবিষ্যৎ সম্পর্কের কোন নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে কি না-তার দিকেই এখন নজর সকলের।


