Last Updated on [modified_date_only] by Shyamali Bihan
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ফের বিএলও অ্যাপে ফিরে এল পূরণ করা এনুমারেশন ফর্ম যাচাই ও ভোটারদের তালিকায় ম্যাপিং বা আনম্যাপিংয়ের অপশন(BLO App)। এর আগে বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলওদের এই ক্ষমতা দেওয়ার পরও তা প্রত্যাহার করে নেয় কমিশন। সমালোচনার মুখে ফের অ্যাপে ফিরিয়ে আনা হয়েছে এই অপশন।
সন্দেহ হলে যাচাইয়ের সুযোগ (BLO App)
এই বিশেষ ট্যাব ফিরে আসায় বিএলওরা আগের মতোই আপলোড করা কোনও এনুমারেশন ফর্ম নিয়ে সন্দেহ হলে তা যাচাইয়ের সুযোগ পাবেন। চাইলে তাঁরা কোনও সন্দেহজনক ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদও দিতে পারবেন। এছাড়াও অ্যাপে একাধিক অপশন বা ট্যাব আগের মতো ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে সংশ্লিষ্ট বিএলও তাঁর বুথে কতজন ভোটার অনলাইনে ফর্ম পূরণ করেছেন তা অ্যাপে একটি বিশেষ ট্যাব মারফত যাচাই করতে পারতেন। হঠাৎ করে তা তুলে নেওয়ায় সমস্যায় পড়তে হয়েছিল বিএলওদের। অ্যাপে সেই ট্যাবও ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
অ্যাপে যুক্ত হল নয়া ট্যাব ‘ড্যাশবোর্ড’(BLO App)
এখন থেকে বিএলওরা তাঁদের বুথে কতজন অনলাইনে ফর্ম পূরণ করেছেন তা ফের যাচাই করতে পারবেন। সেই সঙ্গে আ্যাপে যুক্ত হয়েছে ড্যাশবোর্ড নামে নয়া একটি ট্যাব। এই ড্যাশবোর্ডের ট্যাবে ক্লিক করে বিএলওরা বুঝতে পারবেন, তাঁদের হাতে থাকা কত ফর্ম ডিজিটাইজড হয়েছে এবং কত বাকি রয়েছে। বিএলওদের দাবি, এই ট্যাবগুলি ফিরিয়ে দেওয়ায় সুবিধা হয়েছে ঠিকই। কিন্তু যত সময় এগোচ্ছে ডিজিটাইজেশনের চাপ বাড়ছে। আরও কিছু দিন আগে এই অপশনগুলি ফিরিয়ে দেওয়া হলে কাজে আরও সুবিধা হত।
নয়া অপশন চালু হতেই বন্ধ অ্যাপ (BLO App)
অ্যাপে পুরোনো অপশন ও নতুন ড্যাশবোর্ডের ট্যাব চালু হতেই বিপত্তি গতকাল প্রায় টানা ১৬ থেকে ১৮ ঘন্টা বন্ধ হয়ে যায় বিএলও অ্যাপ । বহু চেষ্টা করেও লগ-ইন করা যাচ্ছে না। এদিকে এনুমারেশন ফর্মের ডিজিটাইজেশনের কাজ শেষের নির্ধারিত সময়ও দ্রুত এগোচ্ছে। ফলে রীতিমতো ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে বিএলওদের।
বিএলও অ্যাপ নিয়ে প্রশ্ন (BLO App)
বুধবার পর্যন্ত রাজ্যে ৭৮.৪২ শতাংশ ইনিউমারেশন ফর্ম ডিজিটাইজেশনের কাজ শেষ হয়েছিল। আর কমিশনের সূত্র অনুয়ায়ী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেই কাজ এগিয়েছে মাত্র ৪ শতাংশের কিছু বেশি। এদিন পর্যন্ত রাজ্যে মোট ৮২.৯১ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজেশনের কাজ শেষের কথা জানিয়েছে কমিশন। বিএলও অ্যাপে চরম বিভ্রাটের কারণেই এই পরিস্থিতি বলে মনে করা হচ্ছে। যে অ্যাপের মাধ্যমে এসআইআরের এই বিশাল কর্মকাণ্ড নির্ভরশীল সেই অ্যাপই যদি ত্রুটিপূর্ণ হয় তাহলে কীভাবে নির্ধারিত সময়সীমা অর্থাৎ ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে গোটা প্রক্রিয়া শেষ করা সম্ভব? এমন প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে ।
আরও পড়ুন: Infiltration: অজান্তেই বাংলাদেশি ছেলের বাবা!পুলিশ ও ব্লক অফিসে লিখিত অভিযোগ বসিরহাটের বাসিন্দার



