Last Updated on [modified_date_only] by Shroddha Bhattacharyya
কে টিভি বাংলা ডিজিটাল: ভারতীয় ক্রিকেটের দুই সবচেয়ে প্রভাবশালী সিনিয়র ক্রিকেটার-বিরাট কোহলি (Virat Kohli) ও রোহিত শর্মাকে ঘিরে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি দলীয় পরিবেশকে আরও জটিল করেছে। তাঁদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বোর্ড, নির্বাচক, কোচ এবং দলের ভেতরে-সব জায়গাতেই বাড়ছে টানাপড়েন।
ঘরোয়া ক্রিকেটে রোহিত–কোহলির ভিন্ন পথচলা (Virat Kohli)
রোহিত শর্মা ইতিমধ্যেই বিসিসিআই-কে জানিয়েছেন যে তিনি (Virat Kohli) বিজয় হাজারে ট্রফিতে অংশ নিতে প্রস্তুত। শুধু তাই নয়, ম্যাচ ফিটনেস বজায় রাখতে তিনি সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টেও খেলবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

চিন্তায় নির্বাচকরা (Virat Kohli)
কিন্তু কোহলি (Virat Kohli) সেই পথে হাঁটতে চান না। তাঁর মতে, ঘরোয়া একদিনের টুর্নামেন্টে নেমে অতিরিক্ত প্রস্তুতি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। এ প্রসঙ্গে বোর্ড বিপাকে পড়েছে, কারণ তারা কারও জন্য আলাদা নিয়ম করতে রাজি নয়-সেই খেলোয়াড় কোহলি হলেও নয়। অন্যান্য ক্রিকেটারদের কাছে ভুল বার্তা না পৌঁছানোর বিষয়টি নিয়েও চিন্তায় নির্বাচকরা।
নিয়ম সকলের জন্যই এক
বোর্ডের এক সূত্র জানিয়েছে, “রোহিত খেলতে রাজি, কিন্তু কোহলি নয়-এই পরিস্থিতিতে বিশেষ সুবিধা দেওয়া সম্ভব নয়। নিয়ম একই হতে হবে সকলের জন্যই।” নির্বাচক কমিটি এবং গৌতম গম্ভীর আগের থেকেই ঘরোয়া ক্রিকেটে নিয়মিত অংশগ্রহণের বিষয়ে কড়া অবস্থানে রয়েছেন।

অস্ট্রেলিয়া সফরের পর বোর্ডের কঠোরতার নজির
অস্ট্রেলিয়ায় হতাশাজনক টেস্ট সিরিজের পর বোর্ড রোহিত ও কোহলি দু’জনকেই রঞ্জি ট্রফিতে নামার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এখন বিজয় হাজারে ট্রফিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বোর্ডের লক্ষ্য-সিনিয়র ক্রিকেটারদের উদাহরণ অনুসরণ করে পুরো সিস্টেমে প্রতিযোগিতা ও দায়বদ্ধতা বজায় রাখা।

কোহলির প্রস্তুতি
রাঁচিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রথম একদিনের ম্যাচে দুর্দান্ত সেঞ্চুরির পর কোহলি ইঙ্গিত দেন, তাঁর প্রস্তুতি পদ্ধতি অতিরিক্ত ম্যাচ খেলার উপর নির্ভর নয়। তিনি বলেন, তাঁর শক্তি মানসিক প্রস্তুতি ও ফিটনেসে। শারীরিকভাবে পরিশ্রম করাটা তাঁর কাছে যথেষ্ট, এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই নজর রাখতে চান তিনি।
পরিস্থিতি ঠান্ডা করতে বোর্ডের উদ্যোগ
দলের ভেতরের অসন্তোষ যেন আরও না বাড়ে, সেই কারণে বোর্ড জাতীয় নির্বাচক প্রজ্ঞন ওঝাকে রায়পুরে পাঠিয়েছে। সেখানেই বুধবার ভারতের দ্বিতীয় একদিনের ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে। ওঝার দায়িত্ব-পরিস্থিতি বোঝা, কথা বলা এবং উত্তেজনা যেন আরও না বাড়ে তা নিশ্চিত করা।


